পুলিশের সহযোগীতায় নবজাতক শিশু পেলো আশ্রয়

রুহুল আমিন,জেলা প্রতিনিধি মানিকগঞ্জ।।
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে পুলিশের সহযোগিতায় আশ্রয় ঠিকানা পেলো মাত্র এক দিনের নবজাতক শিশু। নবজাতক কোলে পেয়ে খুশি নিঃসন্তান দম্পতি তাছলিমা গণি।

বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে সিংগাইর উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের বড়বাকা এলাকায় আরিফ হোসেনের বন্ধ দোকানের সামনে কে বা কারা এক দিনের নবজাতক শিশুকে ফেলে রেখে যায়। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে আরিফের দোকানের পাশ্ববর্তী রংমালা বেগম ও স্বামী ফরহাদ বিষয়টি সিংগাইর থানা পুলিশকে জানায়। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নবজাতককে উদ্ধার করেন।

মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খানের এর দিকনির্দেশনায় উদ্ধারকৃত নবজাতক শিশুকে ওই এলাকার নিঃসন্তান তাছলিমা গনি দম্পতির কোলে তুলে দেন সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম মোল্লা। নবজাতক শিশুটির দেখভাল করার জন্য তাছলিমা গণি দম্পতিকে ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সহযোগীতায় করেন ওসি সফিকুল ইসলাম।

ঘাগড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ভিজিএফ বিতরণ কর্মসুচীর উদ্ভোধন করলেন পিআইও

আরিফ রববানী, ময়মনসিংহ : ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে অসহায় দরিদ্র মানুষের জন্য ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ এই শ্লোগান বাস্তবায়নে মানবিক প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ঈদের বিশেষ বরাদ্ধ ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় জনপ্রতি ১০ কেজি করে চাউল বিতরণ কর্মসুচীর উদ্ভোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ই জুলাই) সকালে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায়, ত্রাণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায়,উপজেলা প্রশাসনের বাস্তায়নে এবং ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান এর সুষ্ঠু ব্যাবস্থাপনায় পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ইউনিয়নের ৩৪৬১টি (৩হাজার ৪শত ৬১টি অসহায় দরিদ্র উপকারভোগী পরিবারের মাঝে প্রতি পরিবারকে ১০ কেজি করে মোট ৩৪৬১০ কেজি চাউল বিতরণ করা হয়। করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি মেনে সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ওয়ার্ড ভিত্তিক এ চাউল বিতরণ কর্মসুচীর উদ্ভোধন করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনিরুল হক ফারুক রেজা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান। ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক সিরাজুম মনিরা উক্ত চাউল বিতরণ কর্মসুচীর সার্বক্ষণিক তদারকি করেন।

এই সময় পিআইও মনিরুল হক ফারুক রেজা বলেন-প্রধানমন্ত্রী চায় ধনী আর গরীব সমান অবস্থানে থেকে ঈদ আনন্দ উদযাপন করুক,ঈদে গরীবের মুখেও যাতে দু-মুঠো খাবার জুটে সেই লক্ষে এই ভিজিএফ কর্মসূচি। তাই প্রকৃত গরীব হত-দরিদ্র অস্বচ্ছলরা যেন এই চাউল পায় সেদিকে লক্ষ রাখতে তিনি চেয়ারম্যান, মেম্বার ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সকলকে যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলারও পরামর্শ দেন।

চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান বলেন, অসহায় দরিদ্র পরিবারকে ভিজিএফ চাউল দেওয়াসহ যেকোন সহযোগিতা প্রদানে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা সরকার সবসময় পাশে আছে এবং থাকবে। শেখ হাসিনার সরকার যতদিন থাকবে, জনগণ কিছু না কিছু পাবেন। এরই ধারাবাহিকতায় ইউনিয়নের ৩ হাজার ৪শ ৬১টি অসহায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভিজিএফ প্রকল্পের আওতায় ১০ কেজি করে চাউল সহায়তা প্রদান প্রদান করা হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন-ঘাগড়া ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাবুল, আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম আকন্দ রুবেল,আওয়ামী লীগ নেতা ও দাপুনিয়া বাজার ইজারাদার নুর মোহাম্মদ মাক্কু,সচিব মুনিরা ইয়াসমিন, কোতোয়ালি মডেল থানার এস আই দেবাশীষ, ইউপি সদস্য- মোছাঃ জাহান,মর্জিনা আক্তার,মোবারক হোসেন,কামাল হোসেন,মোবারক হোসেন,সাইদুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

ঈদুল আযহায় নিরাপত্তা জোরদারে জিরোটলারেন্সে ওসি কামাল

আরিফ রববানী, ময়মনসিংহ।।
ময়মনসিংহে ঈদুল আজহায় সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ।
জেলা পুলিশের এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দের দিকনির্দেশনা মোতাবেক থানার আওতাধীন তিনটি পুলিশ ফাঁড়ি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন শাখার সমন্বিত প্রচেষ্টায় নগরবাসীর জন্য নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান- দেশের চতুর্থ বৃহত্তম মহানগরী ময়মনসিংহ নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থা সচল রাখতে এবং নগরীতে বাড়তি নজরদারির জন্য বিদ্যমান ট্রাফিক সদস্যের বাইরেও ৬’শ ৭৩ জন পুলিশ সদস্য ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে সিটি কর্পোরেশনের অনির্ধারিত স্থানে সড়ক মহাসড়কের উপর পশুর হাট বসতে দেয়া হচ্ছে না। কোরবানীর পশু বহনকারী যানবাহনে চাঁদাবাজি কঠোর হস্তে মোকাবেলা করা হচ্ছে। নগরীর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিদ্যমান ১’শ ৪০টি সিসি ক্যামেরা ছাড়াও কোরবানী ঈদ উপলক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ও কোরবানীর পশুর হাট এলাকায় প্রয়োজনে আরো সিসি ক্যামেরা স্থাপনের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানা গেছে। স্বাভাবিক অবস্থায় নগরীতে আইনশৃঙ্খলা নজরদারিতে জেলা পুলিশের দিনের বেলায় ৫ টি মোবাইল টিম এবং রাতে ১০ টি মোবাইল টিম টহল পরিচালনা করা হচ্ছে। কোতোয়ালি মডেল থানা ও থানার অধীনস্থ তিনটি ফাঁড়ির মোট ৪ টি মোবাইল টিম দিনের বেলায় এবং ৫টি মোবাইল টিম রাতে নিয়মিত টহল পরিচালনা করে আসছে। ঈদ উপলক্ষে নগরীর বাস স্ট্যান্ড ও জনাকীর্ণ রাস্তার মোড়ে সাদা পোশাকে পুলিশ বাহিনী তৎপর রয়েছে। এই নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা চলবে আগামী কাল ৬ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই (২০২২) পর্যন্ত আরো কঠোরভাবে কাজ করবে। পশুর হাটে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও জেলা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে জাল নোট সনাক্তকরণ যন্ত্র স্থাপন করা হয়েছে। ঈদ আনন্দকে নিরবিচ্ছিন্ন উৎসবমুখর করতে জেলা পুলিশের পাশাপাশি ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন এবং ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নিজ নিজ উদ্যোগে জনকল্যাণকর কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বলেও জানা গেছে। ব্যাংক কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে জানা গেছে- কোন গ্রাহক যাতে ব্যাংক টাকা উত্তোলন ও লেনদেন করতে ভয় না পায় সেজন্য প্রতিটি ব্যাংকের সামনের পুলিশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।কোরবানির পশু কেনাকাটায় ক্রেতা-বিক্রেতারাদের নির্ভয়ে লেনদেন ও পশু বিক্রি করে টাকা নিয়ে বাড়ী ফিরতে সমস্যা না সেজন্যও নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তার ব্যবস্থা।এমনকি কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ নিজে শারিরিক ভাবে অসুস্থ থাকলেও কোতোয়ালীবাসীর নিরাপত্বার জন্য স্ব-শরীরে নিজেও বিভিন্ন কোরবানি পশুর হাট পরিদর্শন করছেন।শুনছেন মানুষের সমস্যার কথা সমাধানও করছেন।

সেই ধারাবাহিকতায় কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ্ কামাল আকন্দ (পিপিএম-বার) বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই ২০২২) তারিখ বিকেলে সার্কিট হাউজ মাঠ, দাপুনিয়া বাজার, চর খরিচা, বোররচর, কাঠগোলা বাজারসহ বিভিন্ন কোরবানি পশুর বাজার পরিদর্শন করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট বাজারগুলোর ইজারাদার,ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ওসি শাহ্ কামাল আকন্দ বিক্রেতা ও ইজারাদারদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেন। পশুরহাটে করোনা সংক্রমনের ঝুঁকি এড়াতে এবার পুলিশ ইজারাদার স্থানীয় প্রশাসন সবাই মিলে কাজ করে যাচ্ছে। মাস্ক, গ্লাবস পড়া এবং নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখার জন্য বাজারে অনবরত মাইকিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি হাটে ডুকতে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যারা গরু কিনতে আসবে তাদের যেন করোনা সংক্রমন না হয়। পশু হাটে বৃদ্ধ, অসুস্থ এবং শিশুরা যাতে না আসে সেজন্য বিভিন্ন মাধ্যমে অনুৎসাহিত করা হচ্ছে।

নিরাপত্তার ব্যাপারে ওসি কামাল বলেন, দূর দুরান্ত থেকে পাইকারদের টাকা ছিনতাই চুরি ডাকাতি ও মলম পার্টির খপ্পর রোধে সার্বক্ষণিক পুলিশ কাজ করছে। ব্যাংকে যেন টাকা জমা রাখতে পারে ব্যাংকে লেনদেনের সময় বাড়ানো হয়েছে। সময়ের পরেও বিক্রির টাকা ইজারাদারদের মাধ্যমে পুলিশ পাহারায় টাকা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিরাপত্তাকে স্বাস্থ্য ঝুঁকির সমভাবে গুরুত্ব দিচ্ছি।

ওসি বলেন, আমাদের দেশের খামারীরা কষ্ট করে সারা বছর পশু পালন করে। তাদের বিবেচনা করে স্বাস্থ্য ঝুঁকিটাকে মাথায় রেখে গরুর হাটের অনুমোদন দেয়া হয়েছে যাতে প্রান্তিক কৃষকরা তাদের জীবিকার জন্য রাস্তায় না বসে। অনুমোদনকৃত জায়গায় বসে পশু বিক্রি করে তারা সংসারের অভাব অনটন মিটাতে পারে। এসময় তিনি চুরি,ছিনতাইসহ যেকোন দুর্ঘটনা এড়াতে গরু মালিক, ইজারাদার ও বিক্রেতাদের সতর্ক থাকার আহবান জানান।

ত্রিশালের মঠবাড়ীতে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ভিজিএফ পেয়ে খুশী ১৮শত হতদরিদ্র

আরিফ রববানী, ময়মনসিংহ।।
ময়মনসিংহের ত্রিশালে ঈদুল আযহা উপলক্ষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সফল ও মানবিক প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার বাংলাদেশ -ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ এই শ্লোগান বাস্তবায়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বরাদ্দকৃত দরিদ্র,গরীব হত-দরিদ্র অস্বচ্ছল জনগোষ্ঠী পরিবারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ১০কেজি করে চাউল বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭জুলাই) সকালে মঠবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে ইউনিয়নের ১৮০০ পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত এই চাউল বিতরণ কর্মসুচীর উদ্ভোধন করেন মঠবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামিলীগ নেতা আব্দুল কদ্দুস মন্ডল ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের দায়িত্ব প্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্প কর্মকর্তা তফাজ্জল হোসেন।

উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় উপজেলার মঠবাড়ী ইউনিয়নের ১৮০০জনঅসহায়, দুস্থ ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরের ভিজিএফ কর্মসূচীর আওতায় প্রতিটি কার্ডধারীদের মধ্যে ১০ কেজি হারে মোট ১৮০০০ মেঃ টন চাউল বিতরণ করা হয়েছে।

চেয়ারম্যার আব্দুল কদ্দুস মন্ডল বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে মঠবাড়ী ইউনিয়নের দুস্থ অসহায় পরিবারের মধ্যে ভিজিএফ এর ১০ কেজি চাউল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছি। তিনি আরো বলেন, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক তালিকা প্রণয়ন করে সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশে সুবিধাভোগীদের মাঝে ভিজিএফের এ চাউল বিতরণ করা হয়েছে। এ সময় ইউপি সচিব নূরুল ইসলামসহও বিভিন্ন ওয়ার্ডের মেম্বার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গর উপস্থিত ছিলেন। এদিকে ঈদ উপহার হিসাবে সরকারের ১০কেজি চাউল পেয়ে খুশীতে মানবিক প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুস মন্ডল এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান সুবিধাভোগীরা।

ত্রিশালের বইলরে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ভিজিএফ পেলো ১৬৬৩ জন হতদরিদ্র পরিবার

স্টাফ রিপোর্টার।।
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বইলর ইউনিয়নে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে অসহায় দরিদ্র মানুষের জন্য ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ এই শ্লোগান বাস্তবায়নে মানবিক প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ঈদের বিশেষ বরাদ্ধ ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় সুষ্ঠু ভাবে জনপ্রতি ১০ কেজি করে চাউল বিতরণ করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার মশিহুর রহমান শাহানশাহ।

৭ ই জুলাই বুধবার সকালে বইলর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায়, ত্রাণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায়,উপজেলা প্রশাসনের বাস্তায়নে এবং ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে চেয়ারম্যান মশিহুর রহমান শাহানশাহ এর সুষ্ঠু ব্যাবস্থাপনায় পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ইউনিয়নের ১৬৬৩টি (১হাজার ৬শত ৬৩টি অসহায় দরিদ্র উপকারভোগী পরিবারের মাঝে প্রতি পরিবারকে ১০ কেজি করে মোট ১৬৬৩০ মেঃ টন চাউল বিতরণ করা হয়। করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি মেনে সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ওয়ার্ড ভিত্তিক এ চাউল বিতরণ কর্মসুচীর উদ্ভোধন করেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মশিহুর রহমান শাহানশাহ ও ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার উপজেলার সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশীষ তরফদার।

এই সময় চেয়ারম্যান খন্দকার মশিহুর রহমান শাহানশাহ বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা অসহায় দরিদ্র পরিবারকে ভিজিএফ চাউল দিয়েছেন। গরীবদের যেকোন সহযোগিতা প্রদানে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা সরকার সবসময় পাশে আছে এবং থাকবে। শেখ হাসিনার সরকার যতদিন থাকবে, জনগণ কিছু না কিছু পাবেন। এরই ধারাবাহিকতায় ইউনিয়নের ১ হাজার ৬শ ৬৩টি অসহায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভিজিএফ প্রকল্পের আওতায় ১০ কেজি করে চাউল সহায়তা প্রদান প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয়রাও জানান-এবার চেয়ারম্যান খন্দকার মশিহুর রহমান শাহানশাহ তার বুদ্ধিমত্ত্বায় প্রকৃত গরীব হত-দরিদ্রদের মাঝে চাউলের কার্ড দেওয়া হয়েছে।আমরা ঘরে বসেই কার্ড পেয়েছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উক্ত চাউল বিতরণ কর্মসুচীর পরিদর্শন করেন। এসময় ইউনিয়ন পরিষদের সচিব জাহাঙ্গীর আলম, ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারগণসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

ময়মনসিংহ সদর উপজেলাবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযাহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লায়ন ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম

মোঃ কামরুজ্জ্বামান কামরুল, স্টাফ রিপোর্টার।।
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার সর্বস্তরের সম্মানিত নাগরিকদের পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবীদ, সামাজিক ব্যক্তিক্ত ময়মনসিংহ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা, লায়ন, ডক্টর মোঃ সিরাজুল ইসলাম।

তিনি গণকল্যান পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, প্রতিষ্ঠাতা শম্ভুগঞ্জ জি,কে,পি কলেজ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, ময়মনসিংহ নাগরিক আন্দোলন সভাপতি, কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি, ময়মনসিংহ সদর উপজেলা শাখা সহ সামাজিক রাজনৈতিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দক্ষতা ও সুনামের সাথে নিজ দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

লায়ন, ডক্টর মোঃ সিরাজুল ইসলাম ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বলেন, মনের পশুত্ব কোরবানির মধ্যে দিয়ে আত্মশুদ্ধির বার্তা নিয়ে আসে, পবিত্র আযহা। এই দিনে সবার জীবন হোক সুখ সমৃদ্ধি ও শান্তির ছায়া।

পবিত্র ঈদ উল আযহায় মসিকের ৫ পশুহাট; প্রস্তুতি সম্পন্ন

মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল।।
পবিত্র ঈদ উল আজহা উপলক্ষে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন (মসিক) ৫ টি পশুহাট এর প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এ বছর জয়নুল উদ্যান, শিকারীকান্দা, রহমতপুর, সুতিয়াখালী বাজার ও ৩১ নং ওয়ার্ড কার্যালয় সংলগ্ন এলাকায় পশুহাট পরিচালনা করছে মসিক।

সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত এ পশুহাটসমূহে করোনা স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা, মাস্ক বিতরণ, সচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রচার ইত্যাদির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া, জাল টাকা সনাক্তকরণে ব্যাংকের বুথ, সাধারণ চিকিৎসক ও পশু চিকিৎসক, সুপেয় পানি ইত্যাদির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

হাট প্রস্তুতি প্রসঙ্গে মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু জানান, পবিত্র ঈদ উল আজহার কোরবানী পশু ক্রয়কে স্বাচ্ছন্দজনক করতে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জয়নুল উদ্যানের পশু হাটে গরু দাম অনুযায়ী তিনটি জোনে বিভক্ত করা হয়েছে। এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি হাটে কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা কর্মচারিরা নিয়মিত মনিটরিং করবেন।

এছাড়া তিনি আরও বলেন, কোভিড ১৯ এর সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসময় সবাইকে করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এসময় তিনি হাটে খুব বেশি মানুষ না নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের এ জনসমাগম এড়িয়ে চলার আহবান জানান।

কোবরানী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে মেয়র জানান, কোরবানী বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এবার সিটির ৪৫০ পয়েন্টে পশু কোরবানী করা হবে। অন্যান্য বছরের মত এবারও কোরবানীর ২৪ ঘন্টার মাঝে বর্জ্য অপসারণ করে পরিচ্ছন্ন শহর ময়মনসিংহবাসীকে উপহার দেওয়া হবে।

আজ এ হাটসমূহের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন সিটি কর্পোরেশনের সচিব রাজীব কুমার সরকার। এসময় ১২ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ আব্দুল মান্নান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সেঁজুতি ধর, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোঃ আরিফুর রহমান, জনসংযোগ কর্মকর্তা শেখ মহাবুল হোসেন রাজীব, খাদ্য ও স্যানিটেশন কর্মকর্তা দীপক মুজমদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সারাদেশে শিক্ষক নির্যাতনের প্রতিবাদে শ্যামনগরে স্বাশিপের মানববন্ধন

রনজিৎ বর্মন সাতক্ষীরা।।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ শ্যামনগর উপজেলার আয়োজনে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে সারাদেশে শিক্ষক নির্যাতন, হত্যা ও দোষিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ শ্যামনগর উপজেলার সভাপতি, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক সাঈদ উজ জামান সাইদের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডক্টর আব্দুর রহমান, নওয়াবেঁকী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ জুলফিকার আল মেহেদী লিটন, চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক জয়দেব বিশ^াস, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ শ্যামনগর উপজেলার সহ-সভাপতি সিনিয়র শিক্ষক রনজিৎ কুমার বর্মন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ দেবব্রত মন্ডল প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা শিক্ষক সুরক্ষা আইন তৈরী , শিক্ষক নির্যাতনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান। বক্তারা শ্যামনগর উপজেলায় ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্তি করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

 

নেত্রকোণায় দুই ব্যবসায়ী অপহরণ, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে উদ্ধার করেছে পুলিশ

আশিকুর রহমান,নেত্রকোনা প্রতিনিধি।।
নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলায় দিনের বেলায় একদল সশস্ত্র দুর্বত্ত দুই ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে। ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ ২ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবসায়ীদের উদ্ধার করে ও অভিযুক্ত একজনকে আটক করে।

বুধবার (৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বড়খাপন ইউনিয়নের বড়ইউন্দ বাজারে নগদ, বিকাশ ও ফ্লেক্সি লোড ব্যবসায়ী ও সাবেক ইউপি সদস্য দিবাকর তালুকদার (৩৭) এবং একই বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী ও পল্লী চিকিৎসক রিপন তালুকদার (৪২)কে অপহরণ করে নিয়ে যায়। তারপর অপহরকরণকারীদের স্বজনরা ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ ২ ঘন্টার মধ্যে বড়খাপন ইউপির পুরাতন অফিসের পেছনে পরিত্যক্ত দোকানঘর থেকে তাদের উদ্ধার করে। ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় বুধবার রাতে অপহৃত রিপন তালুকদার বাদী হয়ে কলমাকান্দা থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন, অভিযুক্তরা হলেন- বড়খাপন ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মাইন উদ্দিন বিশ্বাস (৫৬), তার তিন ছেলে মো. শফিকুল ইসলাম বিশ্বাস (৩২), মো. মিলন বিশ্বাস (৩৫) ও মাসুম বিশ্বাস (২৬) এবং নয়ন মিয়া (৩২), সঞ্জিত দাস (৪৩), রুবেল দাস (২৯), জিতেন্দ দাস (৪৩), সুভাস দাস (৪০), অঞ্জন দাস (৪৪) ও শালিম বিশ্বাস (৩২)সহ ১১ জনকে আসামী করা হয়। তারা সকলে বড়খাপন পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার এজাহারে জানা যায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মিলন বিশ্বাসের নেতৃত্বে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের দোকানে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় তাদের ভয় ভীতি দেখিয়ে শারীরিকভাবে আঘাত করে ট্রলারে উঠিয়ে নিয়ে যায়। এরপর দুইজনকে তুলে বর্তমান মেম্বার মাইন উদ্দিন বিশ্বাসের বাড়ির কাছে ও বড়খাপন ইউপির পুরাতন অফিসের পেছনে পরিত্যক্ত দোকান ঘরে নিয়ে এসে আটকে রাখে। পরে ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করেন।

কলমাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ খান জানান, ৯৯৯ কল থেকে অপহরণের বিষয়টি জানার পর ২ ঘণ্টার মধ্যে দুই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। ট্রলার ব্যবহার করে যেতে হয়েছে বলে দেরী হয়েছে।থানায় একটি অপহরণ মামলা রজু করা হয়েছে। অবিলম্বে এর সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।

ভোলায় জমে উঠেছে কোরবানি পশুর হাট-গুলো

সিমা বেগম, ভোলা জেলা প্রতিনিধি।।

জমে উঠেছে ভোলার কোরবানির পশুর হাটগুলো।ঈদকে সামনে রেখে ভোলায় কোরবানির পশুর হাট জমে উঠেছে। তবে বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার গরু-ছাগলের দাম একটু বেশি।

দ্বীপ জেলা ভোলায় কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট। পশুর হাট গুলো সাধারণত বিকেল বেলায় বসে।আর শেষ বিকেলে এ পশুর হাট গুলো জমে ওঠে।পশুর দাম নাগালের বাইরে থাকায় হতাশা নিয়ে ফিরে যাচ্ছে অনেক ক্রেতা। তবে এ বছর ভারতীয় গরুর স্থান মেলেনি ভোলার হাটগুলোতে।

ভোলার বিভিন্ন হাটগুলোতে গুরে দেখা যা ব্যাপারীরা, খামারিরা বিপুল সংখ্যক গরু নিয়ে আসেন হাটগুলোতে। এ বছর কোরবানির জন্য পর্যাপ্ত পশু রয়েছে।হাটগুলোতে সর্বত্রই ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

তবে ক্রেতারা জানান,গত বছর গুলোর তুলনায় এই বছর গরুর দাম অনেক বেশি। অন্যদিকে বিক্রেতনরা বলেন,গরুর দাম একটু বেশি। পশুর খাদ্য ও পরিবহন খচর বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তা না হলে আমাদের লোকসানের মুখে পড়তে হবে।

ভোলার উল্লেখ্য যোগ্য ৯৩টি পশুরহাট রয়েছে গুলো হলো,বাংলাবাজার,পরানগঞ্জ, ভোলার হাট,ইলিশার হাট, ঘুইংগারহাট, কুঞ্জেরহাট, চরফ্যাশন ও তজুমদ্দিনের বিভিন্ন হাটে ক্রেতাদের আকর্ষণ বেশি। সেখানেই ক্রেতারা ভীড় জমাচ্ছেন। এ সকল হাটগুলো সরগরম হয়ে ওঠলেও কেনাবেচা অনেক কম।

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জানান, ভোলায় এবার পর্যাপ্ত পরিমান কোরবানির পশু আছে, জেলায় মোট ২১টি ভেটেনারি টিম মাঠে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছেন।

শিশুর মানসিক-শারীরিক বিকাশে প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী পদক্ষেপ মাতৃত্বকালীন ভাতা-চেয়ারম্যান সাঈদ

আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
গর্ভবতী ভাতা বা দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি আওতায় ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ৫নং সিরতা ইউনিয়নে গর্ভবর্তী মা দেরকে ভাতার টাকা প্রদান করা হয়েছে।

কর্মসূচীর আওতায় গর্ভবর্তী মা দেরকে ভাতার টাকা মধুমতি ব্যাংক সিরতা এজেন্ট ও জয়বাংলা বাজার মধুমতি ডিজিটাল পয়েন্ট এর মাধ্যমে টাকা প্রদান কর্মসূচির উদ্ভোধন করেন সিরতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সাইদ।

দরিদ্র প্রতিবন্ধী মা, বসতবাড়ি রয়েছে বা অন্যের জায়গায় বাস করে,নিজের বা পরিবারের কোনো কৃষি জমি, মৎস্য চাষের জন্য পুকুর নেই এমন গর্ভবতী মা দের সন্তানেরারা যেন অর্থ অভাবে শিশুর মানসিক ও শারীরিক বিকাশ যাতে ব্যাহত না হয় তারই ধারাবাহিকতায় সরকার গর্ভবতী মায়ের জন্য সরকারি ভাতা প্রদানের প্রচলন করেছে বাংলাদেশ সরকারের সফল ও জনবান্ধব প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। প্রতি মাসে ৮০০/- হারে প্রতি ৬ মাস অন্তর অন্তর করে ৪ বার বা ২৪ মাস ভাতার সুবিধা পায় গর্ভবতী নারীরা। এসময় তিনি বলেন- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মানে কাজ করছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এই ধারা অব্যাহত রাখতে তিনি সিরতা ইউনিয়নবাসীকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।

গরীব হত-দরিদ্র অসহায় গর্ভবতী মায়েরা মাতৃত্বকালীন ভাতার টাকা পেয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সাইদ এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।