আগ্রাবাদ কনভেনশন হলের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ ফাহিম আহমেদ ও সাবেক উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (বর্তমানে বাগেরহাট গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী) মোহাম্মদ শাহ-আলম ফারুক চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রবিবার (৪ অক্টোবর) দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
শাহ-আলম ফারুক এর আগে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা ডিভিশন-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করেন। সে সময়ে গণভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের একাধিক প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রকৌশলী শাহ-আলম ফারুক চৌধুরী এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তিনি ইতোমধ্যে কানাডায় পাড়ি জমিয়েছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে।
ক্ষমতার অপব্যবহার, নথি জালিয়াতি এবং সরকারি জমি ও ভাড়া বাবদ ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ৩৯ হাজার ২৬৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এই মামলা অনুমোদন করা হয়।
আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজেরা লাভবান হওয়া এবং অন্যকে লাভবান করার উদ্দেশ্যে ভুয়া রেকর্ডপত্র ব্যবহার করেন। এর মাধ্যমে তারা চট্টগ্রামস্থ আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় ২৪ দশমিক ৯৬ শতক সরকারি জমি অবৈধভাবে দখলে রাখেন এবং বকেয়া ভাড়া পরিশোধ না করে জালিয়াতি ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে মোট ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ৩৯ হাজার ২৬৮ টাকা আত্মসাৎ করেন।
আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় একটি মামলা রুজুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
ছবি থেকে লোগো বাদ দিয়েন।
মন্তব্য