সব
আসন্ন বিজয়া দশমী উপলক্ষে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি ও তার সহধর্মিণীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েছেন নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌর শহরের উকিলপাড়া এলাকার বাসিন্দা সন্দীপ কুমার সরকারের বড় ছেলে অভিরুপ সরকার।
অভিরুপ সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে বসবাস করছেন এবং জগন্নাথ হল শাখা ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
আমন্ত্রণপত্র অনুযায়ী আগামী বুধবার (২১ অক্টোবর) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বঙ্গভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের পক্ষ থেকে পাঠানো আমন্ত্রণপত্রে অভিরুপ সরকারকে অনুষ্ঠানে সাদরে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে পড়াশোনার পাশাপাশি হলকেন্দ্রিক বিভিন্ন শিক্ষামূলক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উদ্যোগে সম্পৃক্ত রয়েছেন অভিরুপ। জগন্নাথ হলে তার উল্লেখযোগ্য উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন নেতৃত্ব এবং রাষ্ট্রগঠনে তাঁদের ভূমিকা শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরার প্রচেষ্টা।
এ লক্ষ্যে জগন্নাথ হলের নির্ধারিত কয়েকটি স্থানে তাদের জীবন ও কর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে ব্যানার প্রদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি এবং ইতিহাসভিত্তিক আলোচনা ও চর্চাকে উৎসাহিত করার প্রচেষ্টা চালানো হয়।
এ ছাড়া ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার অংশ হিসেবে জগন্নাথ হলে ১০৮টি শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা বিতরণের উদ্যোগ নেন অভিরুপ সরকার। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের নিবন্ধনের মাধ্যমে তাঁদের কক্ষে কক্ষে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার কপি পৌঁছে দেওয়া হয়। তার পারিবারিক উদ্যোগে পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধর্মীয় সাহিত্য পাঠ ও আধ্যাত্মিক জ্ঞানচর্চার সুযোগ সম্প্রসারণের প্রয়াস নেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে পড়াশোনার পাশাপাশি ইতিহাসচর্চা, ধর্মীয় সাহিত্য বিতরণ এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা লক্ষণীয়। এসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক পরিবেশে শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক উদ্যোগে অবদান রাখার চেষ্টা করছেন তিনি।
দুর্গাপুর পৌরশহরের উকিলপাড়ার বাসিন্দা সন্দীপ কুমার সরকারের ছেলে অভিরুপের এ আমন্ত্রণে তার পরিবার ও পরিচিত মহলে আনন্দ বিরাজ করছে। স্থানীয় পর্যায়ে তরুণ শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের প্রেক্ষাপটেও ঘটনাটিকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
মন্তব্য