সব
জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকারের কার্যকর উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের পল্লী অঞ্চলকে আরও আধুনিক, উৎপাদনশীল ও সমৃদ্ধ করে তোলা হবে।
আর সেই সমৃদ্ধ পল্লীই একটি উন্নত, আত্মমর্যাদাশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার একটি ন্যায়ভিত্তিক, অংশগ্রহণমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি মানুষকে উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত করতে চায়। এ কারণে গ্রাম ও পল্লী অঞ্চলকে জাতীয় উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এবারের জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের প্রতিপাদ্য ‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ সরকারের উন্নয়ন দর্শন ও জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। দেশের প্রায় ৬৮ শতাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করে এবং কৃষি, ক্ষুদ্র উদ্যোগ, কুটির শিল্প ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
তিনি বলেন, পল্লী উন্নয়ন কোনো একক খাতের কর্মসূচি নয়; বরং এটি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় সম্পদের যথাযথ ব্যবহার দেশের সার্বিক উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবে।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে বলেন, কৃষি উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, যুবসমাজকে সংগঠিত করা, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যেই সেই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচ সম্প্রসারণ, কৃষি ঋণ মওকুফ এবং দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, যা পল্লী অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
তারেক রহমান জানান, বর্তমান সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, খাল পুনঃখনন, কৃষি ঋণ মওকুফ, পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নারী ও যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান ও অংশীজনকে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান এবং জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।
মন্তব্য