নেত্রকোনার দুর্গাপুর থানার সাব-ইন্সপেক্টর নুর ইসলাম বাদী হয়ে দায়ের করা চাঁদাবাজী মামলার তিন আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে ঢাকার উত্তরার দিয়া বাড়ী এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. শহীদুল্লাহ্।
মামলা সুত্রে জানা গেছে, গত (০৪ মে) সোমবার রাতে পৌর শহরের তেরীবাজার এলাকায় পুলিশের নিয়মিত টহল চলাকালীন সময়ে, পৌরশহরের উকিলপাড়া এলাকায় ভাই ভাই এন্ড জনতা হোটেলে কয়েক জন ব্যক্তি উশৃঙ্খল আচরণ করে হোটেল বন্ধের হুমকি দিচ্ছে। পরবর্তিতে পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে ঘটনাস্থল থেকে চাঁদাবাজরা পালিয়ে যায়। এ নিয়ে হোটেল মালিক খোকন মিয়াকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, উক্ত আসামীগণ পরিকল্পিত ভাবে দলবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন সময়ে হোটেলে এসে প্রায় দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং প্রতিদিন খাবার খেয়ে বিল পরিশোধ না করে, হোটেল মালিক কে খুন জখমের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলে যায়। পরবর্তিতে এ ব্যাপারে সাব-ইন্সপেক্টর নুর ইসলাম বাদী হয়ে ০১। মেহেদী হাসান ওরফে সাহস (৩০), পিতা- মঞ্জুরুল হক, ০২। ইমরান ইসলাম ওরফে ইমন (২২), পিতা- ইউছুফ হাওলাদার, ০৩। মোঃ জুয়েল (৩৪), পিতা- ছোট আবু, ০৪। রাসেল (৩০), পিতা- হাসু মিয়া, ০৫। নাইম (৩০), পিতা- অজ্ঞাত, ০৬। মিলন (৩৮) পিতা- মৃতঃ আব্দুল মজিদ, ৭। মেহেদী (২৮), পিতা- অজ্ঞাত, ৮। রিসভী (২৭), পিতা- অজ্ঞাত সহ আরো ৭/৮ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ায় আসামীরা এলাকা থেকে গাঁ ঢাকা দেয়।
পরবর্তিতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায়, মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে ঢাকার উত্তরা (দিয়া বাড়ী) এলাকা থেকে আসামী ০১। মেহেদী হাসান ওরফে সাহস, পিতা- মঞ্জুরুল হক, ০২। রাসেল মিয়া, পিতা- হাসু মিয়া এবং ৩। মেহেদী, পিতা- অজ্ঞাত কে আটক করে পুলিশ।
এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. শহীদুল্লাহ বলেন, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার রাতে ঢাকার উত্তরা (দিয়া বাড়ী) এলাকা থেকে চাঁদাবাজী মামলার তিন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনী কার্যক্রম শেষে আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত আসামীদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ।
মন্তব্য