সব
ময়মনসিংহ বিভাগের ধোবাউড়া সহ বেশ কয়েকটি উপজেলায় সরকারি খাদ্য গুদামে ধান বিক্রির জন্য “কৃষক অ্যাপ” নিবন্ধন এর মাধ্যমে ধান বিক্রির প্রক্রিয়া ডিজিটাল হলেও, এর জটিলতার কারণে সাধারণ কৃষকরা অনেক ক্ষেত্রে বিপাকে পড়ছেন। স্মার্টফোন ব্যবহার, ইন্টারনেট সংযোগ এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাবে অনেক প্রকৃত কৃষক নিবন্ধন করতে পারছেন না।
উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা যায় এইবার উপজেলাতে বোরো আবাদ হয়েছে ১৪ হাজার ৩ শত ২০ হেক্টর। অদ্যবধি পর্যন্ত ধান কর্তন হয়েছে ৪ হাজার ৫০০ শত হেক্টর। বাম্পার ফলন হওয়াই কৃষকরা গুদামে ধান বিক্রি করতে আগ্রহী তারা। কৃষকরা আবেদন করতে বিভিন্ন জনের দ্বারস্থ হলেও অ্যাপ জটিলতায় আবেদন করতে না পেরে হতাশ হয়ে ফিরে আসছে। কৃষক আমির হোসেন, নজরুল ইসলাম বলেন, নতুন আবেদন করতে গেছি অ্যাপে ডুকেনা। আবুল কালাম নামে একজন জানান, গুদামে ধান দেয়া যায়না একটি মহল সেন্ডিকেটের মাধ্যমে ধান
ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ক্রয় করে গুদাম লোড করে। অনেক কৃষক গুদামে ধান নিয়ে আবার ফিরত নিয়ে আসে। এখনতো অ্যাপে আবেদন করা যাচ্ছেনা। এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্যদপ্তর কর্মকর্তা মো: মহসীন আলী গণমাধ্যমকে জানান, অ্যাপ জটিলতা সাময়িক সমস্যা বিষয়টি কর্তৃপক্ষ অবগত আছেন। কৃষি কর্মকর্তা আতিকুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, কৃষকের বাম্পার ফলন হয়েছে যদিও আবহাওয়া নিয়ে কিছুটা বিপাকে এর পরেও
গুদামে ধান দিতে পারলে লাভের মুখ দেখবে কৃষক। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মোশারফ হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
মন্তব্য