ঢাকা রাত ১১:৪০, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
সাব-রেজিস্ট্রারের দুর্নীতির খোঁজে আইন মন্ত্রণালয়ের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা কোস্টগার্ডের জনবল বর্তমান ৫ হাজার থেকে ১০ হাজারে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেনাসদস্যদের ব্যারাকে ফেরানো নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ যশোরে উলশী খাল পুনর্খনন কর্মসূচি উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর অটোরিকশায় যাত্রীবেশী ছিনতাইকারী চক্রের কবলে পড়েন কাস্টমস কর্মকর্তা, পরে মৃত্যু দেশের সব বিমানবন্দরে উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি ৮০ লাখ লোকের তালিকা হচ্ছে নোটিশ দিবে এনবিআর ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য প্রকৃতি ও মানব স্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ ক্ষতিকর শেরপুরে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা, গুরুতর আহত একাধিক দারে দারে গোরছে বিচারের আশায়  প্রতিদিন যে শহরে ১০০ মানুষের হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে খিলক্ষেতে অপহরণের ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতারে সহায়তার আহ্বান টিকে থাকার গল্প শোনালেন মিম বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ভুয়া বিজ্ঞাপন তৈরি করে যৌন উত্তেজক ঔষধ বিক্রয়ের সাথে জড়িত চক্রের ১০ (দশ) সদস্য গ্রেফতার এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্তে অনলাইন প্রতারণার সাথে জড়িত চার প্রতারক গ্রেফতার করেছে সিটিটিসি শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা ছাত্রদলের হামলার শিকার সাংবাদিকদের মামলা নিতে গড়িমসি, উধাও ওসি দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ ময়মনসিংহে মামলা তুলতে হুমকি-আতঙ্কে শিশুর পরিবার ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপিপন্থী নিরঙ্কুশ জয় অপরাধ দমনে রাজধানী জুড়ে বসানো হবে ১১ হাজার সিসিটিভি: ডিএমপি কমিশনার খেলাধুলায় মনোযোগী শিশুদের বিপথ থেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব: তথ্য প্রতিমন্ত্রী একটি সিএনজিসহ প্রতারক চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি বান্দরবান জেলার লামায় অপহৃত ৬ রাবার বাগান শ্রমিক সেনাবাহিনীর অপারেশনে উদ্ধার সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার, সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা ধোবাউড়ায় হত্যা মামলার বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি ও বাড়িঘর ভাংচুর ময়মনসিংহ সদরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও র‌্যালী ময়মনসিংহে ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের গ্রান্ড র‍্যালী অনুষ্ঠিত সুস্থ ও কর্মক্ষম জাতি গঠনে পুষ্টির কোনো বিকল্প নেই- অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলন এমপি ময়মনসিংহে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

রাজউকের পরিচালক মোবারকের কোটি টাকার সম্পদ

স্টাফ রিপোর্টার।। আপডেটঃ সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:২১ অপরাহ্ণ 92 বার পড়া হয়েছে

রাজউক জোন–২-এর পরিচালক মোবারক হোসেনকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে। সাধারণ নাগরিকের ভাষায় বহুদিন ধরে যে অভিযোগ শোনা যায়—রাজউকে কাজ পেতে হলে টাকা ছাড়া উপায় নেই—সেই ধারাবাহিকতার মধ্যেই মোবারকের নাম উচ্চারিত হচ্ছে সর্বাধিক। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক ব্যক্তি ও স্থানীয় সূত্র যে অভিযোগগুলো তুলে ধরেছেন, সেগুলো তাকে কেন্দ্র করেই জনমনে নানা প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, একজন সরকারি চাকরিজীবী হয়েও মোবারক হোসেনের নামে ও তাঁর পরিবারের নামে রয়েছে কয়েক কোটি টাকার স্থাবর–অস্থাবর সম্পদ, যার বেশিরভাগই নাকি অর্জিত হয়েছে বেআইনি উপায়ে। এই অভিযোগের সত্যতা তদন্তের প্রয়োজন হলেও এখনো তা আনুষ্ঠানিকভাবে হয়নি।
রাজউকে সেবা নিতে গিয়ে যে ধরনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়, তা নিয়ে নাগরিকদের ক্ষোভ বহুদিনের। ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন, প্লট সংক্রান্ত নথি যাচাই, কিংবা যেকোনো সরকারি সেবা—সবকিছুতেই ধীরগতি, জটিলতা এবং কথিত ঘুষের দীর্ঘ শৃঙ্খল। এসব অভিযোগ নতুন নয়; কিন্তু নতুন করে যে ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে এসব আলোচনার ঝড় উঠেছে, তিনি মোবারক হোসেন। জোন–২-এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থেকে তিনি যে কতটা ক্ষমতাধর হয়ে উঠেছেন, তাও অভিযোগকারীদের বক্তব্যে উঠে এসেছে। বলা হচ্ছে, তাঁর নির্দেশ ছাড়া ওই জোনে কোনো কাজ এগোয় না। আর কাজ করতে হলে নাকি নির্দিষ্ট লোকদের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের চাপ তৈরি হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, মোবারক হোসেন গত কয়েক বছরে উত্তরা এলাকায় বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। উত্তরা সেক্টর–১৩-এ তাঁর নামে দুটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, এসব ফ্ল্যাট প্রতিটিই ১৮ কোটি টাকার বেশি মূল্যমানের, যা সাধারণ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর আয়–সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। শুধু দুটো ফ্ল্যাট নয়, একই সেক্টরে আরেকটি ফ্ল্যাটও নাকি তাঁর ব্যবহারাধীন রয়েছে, যদিও মালিকানার তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি আছে। অভিযোগকারীরা বলছেন, এসব ফ্ল্যাট আধুনিক নকশায় নির্মিত, উচ্চমূল্যের নির্মাণ উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে এবং সেগুলোর বাজারমূল্য আরো বেড়েছে। কিন্তু সেগুলো কী উৎস থেকে কেনা হয়েছে—সে বিষয়ে কোনো সরকারি তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়া উত্তরা সেক্টর–১৫-এর ৩ নম্বর রোডে তিন কাঠার একটি প্লট কেনার অভিযোগ উঠেছে, যার মূল্য বলা হয়েছে প্রায় তিন কোটি টাকা। একই সেক্টরের মেইন রোড–সংলগ্ন আরেকটি প্লট নাকি তিনি কিনেছেন তিন কোটি ৫০ লাখ টাকায়। এই দুটি প্লটই উত্তরা এলাকায় উচ্চমূল্যের মধ্যে পড়ে, এবং সেগুলো কিনতে যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন—তা সরকারি বেতনের উপর নির্ভর করে সম্ভব নয় বলে অনেকেই উল্লেখ করেছেন। এই তথ্যগুলো নিশ্চিত নয়, তবে অভিযোগকারীরা দাবি করেন যে প্লটগুলোর ক্রয়–তারিখ, নথিপত্র ও ব্যাংক লেনদেন প্রসঙ্গে কোনো তথ্য প্রকাশ না হওয়ায় সন্দেহ আরো গভীর হয়েছে।
রাজধানী ছাড়াও মোবারক হোসেনের নামে পাবনার হাটগ্রাম মৌজায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমি–সম্পদ রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, গত কয়েক বছরে সেখানে একাধিক খণ্ড জমি কেনা হয়েছে, যার বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকার মধ্যে। এসব জমি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হলে আয়ও হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে সেই জমির ক্রয়–উৎস, নথি ও আয়–ব্যয়ের হিসাব নিয়ে কোনো সরকারি ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। অভিযোগকারীরা বলছেন, এসব সম্পদের বেশিরভাগই তাঁর সরকারি পদকে ব্যবহার করে অবৈধ উপায়ে অর্জিত হতে পারে।
অভিযোগ আরও রয়েছে যে, মোবারক হোসেন ও তাঁর স্ত্রীর নামে রয়েছে দুটি বিলাসবহুল গাড়ি, যার মূল্য কয়েক কোটি টাকার সমান। সরকারি চাকরিজীবীদের মাঝে গাড়ি কেনা নতুন কিছু নয়; তবে যেসব ব্র্যান্ড ও মডেলের গাড়ির কথা বলা হচ্ছে, সেগুলোর দাম সাধারণত উচ্চবিত্ত বা ব্যবসায়ীদের নাগালের মধ্যে পড়ে। অভিযোগকারীরা মনে করেন, যদি গাড়িগুলো বৈধ আয়ে কেনা হয়ে থাকে, তবে সেগুলোর উৎস, ব্যাংক লোন বা সঞ্চয়ের বিবরণ সাধারণত সহজেই দেখানো যায়। কিন্তু এখানে সেই নথি প্রকাশ্যে না আসায় বেড়েছে সন্দেহ।
২০২৩ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মোবারক হোসেন এবং তাঁর স্ত্রীর সম্পদ–সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছিল বলেও জানা যায়। কিছু তথ্য সংগ্রহের পর অনুসন্ধানটির আর কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগকারীরা দাবি করছেন। তাদের মতে, তদন্তটি অদৃশ্য কারণে স্থগিত হয়ে যায়, এবং এর কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দুদকের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে মানুষ মনে করছে, কোনো প্রভাবশালী শক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক বাধার কারণে অনুসন্ধানটি সম্পূর্ণ হয়নি। যদিও দুদক কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি।
মোবারক হোসেনকে কেন্দ্র করে এসব অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর রাজউকের কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। নাগরিকদের মতে, রাজউকের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সুশাসনের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। রাজধানীর উন্নয়ন, নকশা অনুমোদন, প্লট বরাদ্দ, ভবন ব্যবস্থাপনা—সবই রাজউকের ক্ষমতার মধ্যে পড়ে। এই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যখন এ ধরনের অভিযোগ ওঠে, তখন পুরো প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা কমে যায়। অভিযোগকারীরা মনে করেন, যদি অভিযোগগুলো সত্য হয়, তবে তা শুধু মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে নয়; বরং পুরো ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা প্রতিফলিত হয়।
রাজউকের অভ্যন্তরে কাজ করা কয়েকজন কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে জানিয়েছেন যে, প্রতিষ্ঠানটিতে দীর্ঘদিন ধরে কিছু কর্মকর্তা ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যক্তিগত লাভবান হওয়ার চেষ্টা করেছেন। নকশা অনুমোদনসহ অনেক বিভাগে ‘চলতি টাকা’র হিসাব আছে বলে গোপনে স্বীকার করেছেন কিছু কর্মকর্তা। তাদের মতে, উচ্চপদে থাকা কিছু কর্মকর্তা এই প্রক্রিয়াকে বছরের পর বছর ধরে স্বাভাবিক করে তুলেছেন। তবে কোনো অভিযোগই যথাযথভাবে তদন্ত না হওয়ায় কেউ কখনো দায়ী হননি। তাদের মতে, মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোও সেই ধারাবাহিকতারই অংশ হতে পারে।
তবে এ অভিযোগগুলোর কোনো পক্ষ থেকেই এখনো নিশ্চিত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। সব অভিযোগই এখনও দাবির পর্যায়ে রয়েছে। মোবারক হোসেন নিজেও এ বিষয়ে কোনো প্রকাশ্য মন্তব্য করেননি। অনেকের মতে, একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তিনি চাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো খণ্ডন করতে সম্পদ বিবরণী, ব্যাংক লেনদেন, কর–রিটার্নসহ বিভিন্ন নথি প্রকাশ করতে পারেন। তা করলে জনমনে সৃষ্টি হওয়া সন্দেহ দূর হতে পারে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সে রকম কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।
নাগরিক সমাজ, স্বচ্ছতা–পর্যবেক্ষক সংগঠন এবং নগর বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মোবারক হোসেনকে কেন্দ্র করে যেসব অভিযোগ উঠে এসেছে—সেগুলোর সত্যতা নির্ধারণের জন্য অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত প্রয়োজন। সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর আয়–ব্যয় এবং সম্পদ অর্জনের উৎস যাচাই করা হলে অভিযোগগুলো হয় প্রমাণিত হবে, নয়তো সম্পূর্ণ খণ্ডিত হবে। কিন্তু তদন্ত ছাড়া অভিযোগ যেমন প্রমাণিত নয়, তেমনি অস্বীকারও করা যাচ্ছে না। ফলে এ নিয়ে সামাজিক আলোচনাও থেমে নেই।

মন্তব্য

আপলোডকারীর তথ্য

মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল

আপলোডকারীর সব সংবাদ
শিরোনাম:
সাব-রেজিস্ট্রারের দুর্নীতির খোঁজে আইন মন্ত্রণালয়ের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা কোস্টগার্ডের জনবল বর্তমান ৫ হাজার থেকে ১০ হাজারে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেনাসদস্যদের ব্যারাকে ফেরানো নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ যশোরে উলশী খাল পুনর্খনন কর্মসূচি উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর অটোরিকশায় যাত্রীবেশী ছিনতাইকারী চক্রের কবলে পড়েন কাস্টমস কর্মকর্তা, পরে মৃত্যু দেশের সব বিমানবন্দরে উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি ৮০ লাখ লোকের তালিকা হচ্ছে নোটিশ দিবে এনবিআর ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য প্রকৃতি ও মানব স্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ ক্ষতিকর শেরপুরে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা, গুরুতর আহত একাধিক দারে দারে গোরছে বিচারের আশায়  প্রতিদিন যে শহরে ১০০ মানুষের হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে খিলক্ষেতে অপহরণের ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতারে সহায়তার আহ্বান টিকে থাকার গল্প শোনালেন মিম বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ভুয়া বিজ্ঞাপন তৈরি করে যৌন উত্তেজক ঔষধ বিক্রয়ের সাথে জড়িত চক্রের ১০ (দশ) সদস্য গ্রেফতার এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্তে অনলাইন প্রতারণার সাথে জড়িত চার প্রতারক গ্রেফতার করেছে সিটিটিসি শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা ছাত্রদলের হামলার শিকার সাংবাদিকদের মামলা নিতে গড়িমসি, উধাও ওসি দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ ময়মনসিংহে মামলা তুলতে হুমকি-আতঙ্কে শিশুর পরিবার ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপিপন্থী নিরঙ্কুশ জয় অপরাধ দমনে রাজধানী জুড়ে বসানো হবে ১১ হাজার সিসিটিভি: ডিএমপি কমিশনার খেলাধুলায় মনোযোগী শিশুদের বিপথ থেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব: তথ্য প্রতিমন্ত্রী একটি সিএনজিসহ প্রতারক চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি বান্দরবান জেলার লামায় অপহৃত ৬ রাবার বাগান শ্রমিক সেনাবাহিনীর অপারেশনে উদ্ধার সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার, সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা ধোবাউড়ায় হত্যা মামলার বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি ও বাড়িঘর ভাংচুর ময়মনসিংহ সদরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও র‌্যালী ময়মনসিংহে ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের গ্রান্ড র‍্যালী অনুষ্ঠিত সুস্থ ও কর্মক্ষম জাতি গঠনে পুষ্টির কোনো বিকল্প নেই- অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলন এমপি ময়মনসিংহে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার