ঢাকা দুপুর ২:১৭, মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
এইচএসসির প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু ১৫ জুন মন্ত্রীদের পিএস-এপিএসদের বেতন নিধার্রণ সড়কে ঝুঁকি বাড়াচ্ছে লক্ষাধিক লক্কড়ঝক্কড় মেয়াদোত্তীর্ণ বাস নতুন লুকে নজর কাড়লেন অপু ফিলিপাইনে ৭.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, প্রাণ গেল অন্তত ১৯ জনের নৈতিক মনোবল বৃদ্ধির মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীকে আরও জনবান্ধব করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৫৬ জন গ্রেফতার নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান : আইজিপি দুর্গাপুরে কিশোরীকে ভারতে পাচার কালে, বিজিবির হাতে আটক ১৮৬ বছরের পুরনো লাইব্রেরীর জায়গা উদ্ধারে মানববন্ধন বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংবাদিক সমিতি-ঢাকার নির্বাচন সেপ্টেম্বরে জনগণের কল্যাণ সাধন করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য : ড. এস এম আব্দুল আওয়াল শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্তের বাবেলাকোনা থেকে ভারতীয় গরু উদ্ধার করেছে বিজিবি  পিবিআই কর্তৃক তুরাগ নদীতে অজ্ঞাততনামা বস্তাবন্দী লাশের রহস্য উদঘাটন ঈশ্বরগঞ্জে আসামি না পেয়ে ছাগল বিক্রির টাকা নিয়ে গেলেন এসআই সকল পুলিশ সদস্যকে আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে কর্তব্য পালন করতে হবে : পুলিশ সুপার ময়মনসিংহ বিয়ে করলেন দীপ্তি চৌধুরী, স্বামী ঢাবি শিক্ষক মুশতাক ইবনে আইয়ুব সীমান্তে পুশ-ইন ঠেকাতে বিজিবি ও গ্রামবাসীর পাহারা শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ঢাকা গড়তে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে: ডিএমপি কমিশনার ওসি শিবিরুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান, ময়মনসিংহে ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই : ডিসি ময়মনসিংহ শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় রবিবার ময়মনসিংহে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ডিবি পুলিশের বিশেষ টহল খালের ওপর সেতু নির্মানের দাবীতে মানববন্ধন পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বিইআরসি জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি সভা-প্রশিক্ষণ ভার্চুয়ালি করার নির্দেশ রাজধানীতে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের সক্রিয় নয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ময়মনসিংহ সদরে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন।  ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু দুগাপুরে মাদক সেবনরত অবস্থায় ২ ভাই আটক

দরিদ্র বাড়িয়ে বিদায় দারিদ্র্যের জাদুকর

৭৫ বাংলাদেশ ডেস্ক।। আপডেটঃ বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ 56 বার পড়া হয়েছে

দৈনিক বাংলা সুত্রে শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশ্বখ্যাত দর্শন হলো ‘দারিদ্র্যকে জাদুঘরে পাঠানো’। তবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ১৮ মাস দায়িত্ব পালন শেষে তিনি যখন বিদায় নিচ্ছেন, তখন দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা তাঁর এই দর্শনের ঠিক বিপরীত চিত্র ফুটিয়ে তুলছে।

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর এক বিশাল জনসমর্থন ও সংস্কারের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এলেও, ড. ইউনূসের শাসনামলে দেশে নতুন করে ৩০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছেন।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাষ্ট্রীয় কাঠামোর আমূল পরিবর্তনের যে সুযোগ তিনি পেয়েছিলেন, তা কাজে লাগাতে তিনি চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিকে তিনি তাঁর সাফল্যের স্মারক হিসেবে তুলে ধরলেও এর নেপথ্যে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও উৎপাদন খাতকে সংকুচিত করার এক নেতিবাচক কৌশল ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

ড. ইউনূসের ১৮ মাসের শাসনামলে অর্থনীতির প্রায় প্রতিটি সূচকই ছিল নিম্নমুখী। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল বায়েসের মতে, একজন অর্থনীতিবিদ সরকার প্রধান হওয়ার পর প্রত্যাশা ছিল বিপর্যস্ত অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে, কিন্তু বাস্তবে ব্যবসায়িক আস্থায় ধস নেমেছে এবং শিল্প উৎপাদন মুখ থুবড়ে পড়েছে।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর আমলে নতুন করে বিপুল সংখ্যক মানুষ দরিদ্র হয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ছিল জিডিপির ২৪ শতাংশ, যা এক বছর পর ২০২৫ সালে ২২ দশমিক ৪৮ শতাংশে নেমে আসে—যা গত চার দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন।

একই সাথে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে। ড. ইউনূসের সরকার নির্বাচিত সরকারের জন্য ২৩ লাখ কোটি টাকার এক বিশাল ঋণের বোঝা রেখে গেছে, যা দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতির জন্য এক বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ব্যাংকিং খাতের বিশৃঙ্খলা ড. ইউনূসের আমলের অন্যতম কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর নাগাদ দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, যা মোট বিতরিত ঋণের প্রায় ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

গবেষণা সংস্থাগুলোর মতে, বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের এই হার বর্তমানে বিশ্বে সর্বোচ্চ। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাসের চিত্রটিও বেশ করুণ। ডিসেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতির হার যখন সাড়ে ৮ শতাংশ, তখন মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ১ শতাংশের নিচে। অর্থাৎ, মানুষের আয় যে হারে বেড়েছে, খরচ বেড়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি। অথচ বিদায়ী ভাষণে ড. ইউনূস ৩৪ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভের পরিসংখ্যান দিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

গবেষকদের মতে, বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়ে এবং আমদানি কঠোরভাবে সংকুচিত করে সাধারণ মানুষকে চাপে ফেলে এই রিজার্ভ বাড়ানো হয়েছে, যা কোনো টেকসই সমাধান নয়।

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে প্রধান উপদেষ্টা পদের প্রভাব খাটিয়ে নিজের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তাঁর শাসনামলে গ্রামীণ ব্যাংকের কর মওকুফ এবং ব্যাংকে সরকারি শেয়ারের পরিমাণ ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে।

এছাড়া গ্রামীণ ইউনির্ভাসিটির অনুমোদন, গ্রামীণ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসের জন্য জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স এবং গ্রামীণ টেলিকমের ডিজিটাল ওয়ালেট চালুর অনুমতি দ্রুততার সাথে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে থাকা শ্রম আইন লঙ্ঘন ও অর্থ পাচারের মামলাগুলো অত্যন্ত দ্রুততার সাথে খারিজ হয়ে যাওয়ায় বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। দায়িত্বরত অবস্থায় তিনি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সরাসরি কোনো সংবাদ সম্মেলন করেননি, যা তাঁর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় ছিল তাঁর আমলে দেশে সৃজিত ‘মব কালচার’ বা বিশৃঙ্খল জনরোষ। বিভিন্ন গণমাধ্যম অফিসে আগুন দেওয়া, সংবাদকর্মীদের অবরুদ্ধ করা এবং ভিন্নমতের কারণে সাংবাদিকদের কারারুদ্ধ করার ঘটনা বিশ্বজুড়ে সমালোচিত হয়েছে। তাঁর সরকারের অধীনে মাজার, মন্দির ও ধর্মীয় উপাসনালয় ভাঙচুর এবং ধর্মের দোহাই দিয়ে পিটিয়ে হত্যার মতো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এমনকি দেশের দীর্ঘ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধের অমূল্য নথিপত্র এবং ভাস্কর্য বিনষ্টের সময়ও রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তিনি নীরব ভূমিকা পালন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

তিনি বিশ্বব্যাপী যে ‘তিন শূন্য’ (শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য কার্বন নিঃসরণ) তত্ত্ব প্রচার করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় এসে তার বাস্তব প্রতিফলন ঘটাতে পারেননি। বরং দারিদ্র্য ও বেকারত্ব উভয়ই বৃদ্ধি পাওয়ায় সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে, ড. ইউনূস তাঁর এই তত্ত্বের নৈতিক ভিত্তি ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কতটা ধরে রাখতে পারবেন। বিদায়লগ্নে এই বিশাল ব্যর্থতা ও ঋণের বোঝা তাঁর ১৮ মাসের শাসনের এক ধূসর অধ্যায় হিসেবেই ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

মন্তব্য

আপলোডকারীর তথ্য

মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল

আপলোডকারীর সব সংবাদ
শিরোনাম:
এইচএসসির প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু ১৫ জুন মন্ত্রীদের পিএস-এপিএসদের বেতন নিধার্রণ সড়কে ঝুঁকি বাড়াচ্ছে লক্ষাধিক লক্কড়ঝক্কড় মেয়াদোত্তীর্ণ বাস নতুন লুকে নজর কাড়লেন অপু ফিলিপাইনে ৭.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, প্রাণ গেল অন্তত ১৯ জনের নৈতিক মনোবল বৃদ্ধির মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীকে আরও জনবান্ধব করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৫৬ জন গ্রেফতার নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান : আইজিপি দুর্গাপুরে কিশোরীকে ভারতে পাচার কালে, বিজিবির হাতে আটক ১৮৬ বছরের পুরনো লাইব্রেরীর জায়গা উদ্ধারে মানববন্ধন বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংবাদিক সমিতি-ঢাকার নির্বাচন সেপ্টেম্বরে জনগণের কল্যাণ সাধন করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য : ড. এস এম আব্দুল আওয়াল শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্তের বাবেলাকোনা থেকে ভারতীয় গরু উদ্ধার করেছে বিজিবি  পিবিআই কর্তৃক তুরাগ নদীতে অজ্ঞাততনামা বস্তাবন্দী লাশের রহস্য উদঘাটন ঈশ্বরগঞ্জে আসামি না পেয়ে ছাগল বিক্রির টাকা নিয়ে গেলেন এসআই সকল পুলিশ সদস্যকে আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে কর্তব্য পালন করতে হবে : পুলিশ সুপার ময়মনসিংহ বিয়ে করলেন দীপ্তি চৌধুরী, স্বামী ঢাবি শিক্ষক মুশতাক ইবনে আইয়ুব সীমান্তে পুশ-ইন ঠেকাতে বিজিবি ও গ্রামবাসীর পাহারা শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ঢাকা গড়তে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে: ডিএমপি কমিশনার ওসি শিবিরুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান, ময়মনসিংহে ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই : ডিসি ময়মনসিংহ শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় রবিবার ময়মনসিংহে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ডিবি পুলিশের বিশেষ টহল খালের ওপর সেতু নির্মানের দাবীতে মানববন্ধন পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বিইআরসি জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি সভা-প্রশিক্ষণ ভার্চুয়ালি করার নির্দেশ রাজধানীতে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের সক্রিয় নয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ময়মনসিংহ সদরে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন।  ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু দুগাপুরে মাদক সেবনরত অবস্থায় ২ ভাই আটক