সব
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত র্যাব কর্মকর্তা হত্যার সঙ্গে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানান চট্টগ্রাম র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) একেএম শহিদুর রহমান।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকালে নগরীর পতেঙ্গায় র্যাব-৭-এর কার্যালয়ে নিহত র্যাব কর্মকর্তা নায়েব সুবেদার মোতালেবের জানাজা শেষে সাংবাদিকদের উক্ত কথা বলেন র্যাবের ডিজি।
তিনি বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র্যাব সবসময় নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করে আসছে। সাধারণ জনগণের জান মালের নিরাপত্তা বাস্তবায়নে বহু র্যাব সদস্য নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়েছেন ও নিহত হয়েছেন। র্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ পর্যন্ত ৭৫ জন সদস্য শহীদ হয়েছেন। যেখানে সলিমপুরে নিহত নায়েব সুবেদার মোতালেবের শাহাদাতও একজন।
নায়েব সুবেদার মোতালেব শহীদ হওয়ার ঘটনায় মামলা করা হবে। যা সরাসরি পর্যবেক্ষন থেকে শুরু করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা পর্যন্ত সবই র্যাব বাহিনী সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে দেখবে। দোষীদের কাওকে ছাড় দেওয়া হবেনা।
তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার খাতিরে আত্মরক্ষার্থে সন্ত্রাসীদের বিপরীতে গুলি চালানোর সুযোগ থাকলেও র্যাব সদস্যরা গুলি চালাননি। এতে সাধারণ মানুষের হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারতো। তবে সলিমপুর অভিযানে কোন ভুল ত্রুটি ছিল কি না তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে।
এছাড়াও চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকাকে সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হিসেবে চিহ্নিত করে শীঘ্রই সন্ত্রাসমুক্ত হিসেবে গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন সলিমপুরকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, গতকাল (১৯ জানুয়ারি) বিকালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানকালে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র্যাবের এক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন র্যাব সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়া র্যাবের তিন সদস্যকে জিম্মি করে রাখার তথ্যও পাওয়া গেছে।
নিহত র্যাব কর্মকর্তার নাম মোতালেব। তিনি ডিএডি পদমর্যাদায় র্যাবের পতেঙ্গা ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন। আহতরা হলেন- ল্যান্সনায়েক এমাম, কনস্টেবল রিফাত ও নায়েক আরিফ।
মন্তব্য