সব
ময়মনসিংহ সদরের দাপুনিয়ায় ডাঃ হাবিবুর রহমান আইটি স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইঞ্জিঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ৭ বছরের শিশু ওমরকে পিটিয়ে পা ভেঙে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে পায়ে ব্যান্ডেজ নিয়ে যন্ত্রণায় দিন কাটছে শিশুটির। ভুক্তভোগী ওমর মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে। গত ১০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় স্কুলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, একটি রাজনৈতিক মিছিলের ঢিল ছোড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে অধ্যক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে সামনে থাকা শিশুটিকে ধরে ভ্যানগাড়িতে আছড়ে ফেলেন। এতে তার বাম পা ভেঙে যায়।
এবিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি কোন সদুত্তর না দিয়ে ডি. কে. জি. এস ইউনাইটেড কলেজের অধ্যক্ষের অধ্যক্ষের সাথে কথা বলতে বলেন। এসময় তিনি প্রতিবেদককে বলেন আপনি ওনার সাথে কথা বলেন, আমার সাথে আপনি কথা বললে এটা আরও গোলযোগ তৈরি হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ডি. কে. জি. এস ইউনাইটেড কলেজের অধ্যক্ষ শিশুর পা ভাঙার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “একটা বাড়ি দিছে, পা ভেঙে গেছে।” শিশুটির দোষ না থাকলে কি এমনিতেই পা ভেঙেছে? এটা আমরা চিকিৎসার খরচ দিয়ে সমাধান করেছি। কত টাকায় রফাদফা বা কোন হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর জন্য কত খরচ দিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ফোনে আপনার সাথে এত কথা বলতে পারব না বলে বিরক্তির সুরে ফোন রেখে দেন।
এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তবে প্রভাবের ভয়ে পরিবারটি শুরুতে নীরব ছিল বলে জানা গেছে।
শিক্ষাঙ্গনে এমন নির্মমতার ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। সচেতন মহল বলছে শিশুর উপর হামলার দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধই থেকে যাবে।
মন্তব্য