সব
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, আমরা চাই তরুণ-তরুণী, ইয়াং জেনারেশন যারা আছে, তাদেরকে বেশি বেশি করে গেম অ্যান্ড স্পোর্টসের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে। এটা চরিত্র গঠনে বিশাল একটা কাজ হবে বলে বিশ্বাস করি।
তিনি আরও বলেন, আমি জীবনে একজন স্পোর্টসম্যানকে খারাপ কাজে জড়িত হতে দেখিনি। কখনো দেখিনি স্পোর্টসের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তি বা স্পোর্টসম্যান গাঁজা খাচ্ছে, খারাপ কাজ করে বেড়াচ্ছে। এজন্য আমি মনে করি, ইয়াং জেনারেশনের চরিত্র গঠনের জন্য গেমস অ্যান্ড স্পোর্টস খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
রোববার (১ জানুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহের ত্রিশালে প্রস্তাবিত অলিম্পিক ভিলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) সভাপতি হিসেবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সেনাপ্রধান।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘গেমস অ্যান্ড স্পোর্টসে ইয়াং জেনারেশনকে বেশি বেশি করে সম্পৃক্ত করতে চাই। যদি আমরা ফ্যাসিলিটি ডেভেলপ করি, তাহলে অবশ্যই ইয়াং জেনারেশনের প্রচুর আগ্রহ রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলায় অংশ নিতে ইয়াং জেনারেশনের আগ্রহের কোনো অভাব নেই।’
তিনি বলেন, “জাতীয় পর্যায়ের যত কম্পিটিশন আছে, এখানে (ত্রিশাল) করবো। দেশীয়-আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ইভেন্টগুলো এখানে প্রায়োরিটি পাবে। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী বা দেশীয় কোনো ক্রিয়াবিদ এখানে প্রাকটিস করতে চাইলে এখানে করতে পারবে। এটি ‘ওপেন ফর অল’।”
এই প্রকল্পটি দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অবকাঠামো উন্নয়নে এবং আন্তর্জাতিক মানের অ্যাথলেট তৈরির ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন সেনাপ্রধান।
এর আগে সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের সম্মেলন কক্ষে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।
মতবিনিময়কালে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়। সেনাবাহিনী প্রধান পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য ও নাগরিকবান্ধব আচরণের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
পরে ত্রিশালে ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় মোতায়েন করা সেনাসদস্যদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন সেনাপ্রধান।
সেনাপ্রধান ময়মনসিংহ পরিদর্শনকালে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড; সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ; জিওসি, ১৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, ঘাটাইল এরিয়া; মহাপরিচালক, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার; সচিব, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং সেনাসদর ও ঘাটাইল এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার, অসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য