সব
ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর থানার বহুমাত্রিক নাবালিকা প্রতিবন্ধীকে গণধর্ষণ মামলার ধর্ষক জুয়েল (২১) সিপিএসসি, র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় যে, ধৃত ধর্ষক জুয়েল (২১) সহ এজাহার নামীয় ধর্ষক নাঈম(২০) বাদীর নিকটতম প্রতিবেশী। বাদীর সতেরো বছরের নাবালিকা বহুমাত্রিক প্রতিবন্ধী মেয়েকে এজাহারনামীয় নাঈম(২০) তার বসতঘরে ফুসলিয়ে ডেকে নিয়ে এজাহারনামীয় ধর্ষক নাঈম(২০) সহ ধৃত ধর্ষক জোরপূর্বক দলগতভাবে ধর্ষণ করে এবং বিষয়টি প্রকাশ না করার জন্য চাকু দিয়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শণ করে চুপ থাকতে বলে। ভিকটিমের শারীরিক গঠন পরিবর্তন হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে জানতে পারেন ভিকটিম ১৩ (তেরো) সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। বাদী ভিকটিমের নিকট থেকে জানতে পারেন ধৃত ধর্ষক সহ এজাহার নামীয় ধর্ষক নাঈম(২০) কর্তৃক ধর্ষণের ফলে ভিকটিম অন্তঃসত্ত্বা হয়। উক্ত বহুমাত্রিক নাবালিকা প্রতিবন্ধীকে দলগতভাবে ধর্ষণের ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে বিজ্ঞ আদালতে পিটিশন মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালতের আদেশে গৌরিপুর থানার মামলা নং-১৪, তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২৫খ্রিঃ, ধারা: ২০০০ (সংশোধনী/২০২০) সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এর ৯(৩) । মামলা রুজুর পর সিপিএসসি, র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ ছায়াতদন্ত সহ পলাতক ধর্ষকদের গ্রেফতারে তৎপর হয়।
এরই প্রেক্ষিতে, সিপিএসসি, র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর আভিযানিক দল ধৃত ধর্ষক জুয়েল (২১) এর বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত হয়ে ০২ ডিসেম্বর ২০২৫খ্রিঃ রাত্রি ২২:১৫ ঘটিকায় সিপিসি-১, র্যাব-২, মোহাম্মদপুর এর আভিযানিক দলের সহায়তায় ঢাকার হাজারীবাগ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত বহুমাত্রিক নাবালিকা প্রতিবন্ধীকে দলগত ধর্ষণ মামলার ধর্ষক জুয়েল (২১), জেলা-ময়মনসিংহকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য