সব
স্বাস্থ্যসম্পত উপযুক্ত ভবন, পরিবেশ সার্টিফিকেট, ফায়ারসার্ভিসের সার্টিফিকেট, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদের বর্জ্য রক্ষণাবেক্ষণ ও ট্রেড লাইসেন্স, উপযুক্ত রেজিষ্টার্ড ডাক্তার, সার্টিফিকেটধারী প্যাথলজিস্ট-রেডিওলজিস্ট-টেকনিশিয়ান, ট্রেনিংপ্রাপ্ত আয়া মানসম্মত যন্ত্রপাতি সর্বোপরি সিভিলসার্জন তথা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন-অনুমতি ছাড়াই ধোবাউড়া উপজেলা সদরের হাসপাতাল রোডে অবাধে অবৈধভাবে চলছে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবসা। স্থানীয় স্বার্থান্বেষী অর্থলোভী কতিপয় প্রভাবশালী ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের হাট বসিয়ে ইচ্ছাধীন ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।
প্রতিদিন সকাল হতে রাত পর্যন্ত চলছে তাদের এই ব্যবসা। এতে প্রভাবশালী মালিকদের বিপুল অর্থসাফল্য আসলেও প্রতারিত হচ্ছেন নিরীহ ভুক্তভোগী রোগী ও তাদের অভিভাবকগন।
এই হার্টের অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো হচ্ছে-একতা ডায়াগনস্টিক সেন্টার,ধোবাউড়া ,পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, স্বদেশ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ ইবনেসিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মন্ডল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, প্রান্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ডিজিটাল সেবা অঙ্গন , মান্নান আকন্দ ডায়াগনস্টিক, নিউ স্বদেশ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সেবা হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আকন্দ ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ধোবাউড়া উপজেলাধীন মুন্সিরহাটের সেতু ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এসব অবৈধ প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরেজমিনে গেলে এগুলোতে উপস্থিত মালিক ও তার প্রতিনিধিগন স্বীকার করেন তাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর সরকারী কোন অনুমোদন নেই। তবে লাইসেন্স বা অনুমোদনের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছেন বলে তারা জানান। অনুমোদন ছাড়াই ব্যবসা পুরোদমে চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে তারা কিছুই বলেননি। সরকারী স্বাস্থ্যবিভাগ ধোবাউড়ায় রোগ-ডায়াগনস্টিকের অপব্যবসার বিরুদ্ধে এখনো কোন ব্যবস্থা গ্রহন করছেনা। এতে ভুক্তভোগীরা হতাশ। সরকারি অন্যান্য বিশেষ, বিশেষ সংস্থাও এদিকে নজর দিচ্ছেন না। এতে ভুক্তভোগীরা হতাশ।
মন্তব্য