শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলায় মটারসাইকেল আইফোন সহ নগদ টাকা জোর পূর্বক ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে উপজেলার নিচপাড়া গ্রামের মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মিজানুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে শেরপুর সিআর আমলী বিজ্ঞ আদালতে ময়মনসিংহর ঈশ্বরগঞ্জ থানার বড়হিত গ্রামের নূরল হকের ছেলে জান্নাতুল নাঈম(২৯) বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। সি আর মোকাদ্দমা নং ৮০৬/২০২৬ মামলার বিবরণে জানা গেছে বাদী বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে কাঠ ক্রয় করে ব্যবসা করে।
এই সূবাধে গত ২২/৯/২০২৬ ইং তারিখে নালিতাবাড়ী উপজেলার আড়াইআনী বাজারের কালেমা চত্তরে আসামী তার ব্যবহারিক ফোন থেকে সকালে বাদীকে ফোন দিয়ে আকাশমনি কাঠের সন্ধান দেন।ওই দিন বিকাল চারটার সময় কাঠ ক্রয় করার ইচ্ছা নিয়ে বাদী আসামীর নিকট যান।
এ সময় আসামী মিজানুর রহমান সহ আজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন এসে বাদীকে নিয়ে কপি হাইজে যায় । কপি পান করার পর থেকে মাথা ঝিমঝিম ও ঘুম ঘুম ভাব হলে তাহারা কাঠ দেখানোর কথা বলে কৌশলে অপহরণ করে উপজেলার রামচন্দ্রকোনা ইউনিয়নের কেরেঙ্গাপাড়া গ্রামের জনৈক্য ব্যক্তির বাসায় নিয়ে দরজা বন্ধ করে অভিযুক্ত আসামী মিজানুর রহমান একটি রড দিয়ে এলোপাতারী ভাবে মারপিট করে নিলাফুলা বেদনাযুক্ত জখম করে আমার নিকট যা কিছু আছে বাহির করতে বলে। বাহির করতে অশ্বিকার করলে সাথে থাকা অজ্ঞাত নামা অভিযুক্তরা রড,ছুরি ও পিস্তল উচাইয়া আমাকে ঘেরাও করে মারপিট করে।
এ সময় সাথে থাকা মটরসাইকেলের কাগজপত্র সহ যার মূল্য ২ লাখ টাকা,আই ফোন 16 প্ররোম্যাক্স মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা,ডেবিট কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স,কাঠ ক্রয়ের জন্যে সাথে থাকা নগদ ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ এনে নাইম বিজ্ঞ আদালতে দ:বি:১৪৩/১৪৪/৩৪১/৩৬৩/৩২৬/৩০৭/৩৮৬/৩৯২/৩৯৪/৫০৬(২)৩৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মিজানুর রহমান মিজান জানান,জান্নাতুল নাঈম ছদ্দ নামে মানুষের সাথে প্রতারণা করে থাকে।
জাপানি প্রবাসী এক মেয়ের নিকট থেকে হিন্দু সেজে ১৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। আবার ৫ লাখ টাকার জন্যে চাপ দিলে ওই প্রবাসী আমার ঠিকানা দিয়ে ৫ লাখ টাকা নিয়ে যেতে বলে এই কারণে তাকে ফোন দিয়ে আসতে বলি।সে আসলে তাকে জিজ্ঞেস করি হিন্দু না মুসলমান।সে হিন্দু সেজে প্রবাসী মেয়ের সাথে প্রেমের ফাঁদ পেতে ১৮ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে প্রতারণা করেছে। এই কারণে তার নিকটে থাকা বাইক ২ লাখ আই ফোন ১ লাখ টাকা উদ্ধার করে বাকি ১৫ লাখ টাকা দিবে বলে আপোষ মিমাংসা করে স্ট্যাম্পে সই দিয়ে যায়।
এই সময়ের মধ্যে শেরপুর আদালতে উল্টো মামলা দায়ের করেন আমার বিরুদ্ধে যাহা সম্পন্ন মিথ্যা বানোয়াট পরিকল্পিত ভাবে আমাকে হ্যায় প্রতিপন্ন করা হয়েছে। মামলার ১ নং সাক্ষি বাদশা মিয়া জানায় মিজানুর রহমান মিজান পরিকল্পিত ভাবে বাদীকে অপহরণ করে তার নিকটে থাকা বাইক,আইফোন,নগদ টাকা সহ মারপিট করে ছিনিয়ে নিয়েছে। প্রবাসীর সাথে প্রতারণা করে থাকলে আইন আদালত আছে সে ব্যবস্থা নিতে পারতো।এভাবে তাকে আটকিয়ে মারপিট করে জোরপূর্বক সই সাক্ষর নিয়ে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়েছে।আমি তদন্ত সাপেক্ষে সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি বলে জানান ।এর সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে সঠিক অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক,শেরপুর প্রতিনিধি।।