প্রতি বছর ২৭ সেপ্টেম্বরে সারাদেশব্যপী সরকারি উদ্যোগে ঘটা করে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালন করা হয়। ময়মনসিংহ অঞ্চলেও ঘটা করে এ দিবসটি পালন করা হয়। এবছরও ঘটা করে পালন করা হচ্ছে। দিবসে এর গুরুত্ব তোলে ধরা হবে, পর্যটনশিল্প বিকাশে নানান পদক্ষেপ ও প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হবে। এই যে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হয় তারপর পরবর্তি পর্যটন দিবসের আগ পর্যন্ত পর্যটনশিল্প বিকাশে দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় এবং প্রতিবছর ধাপে ধাপে পর্যটনশিল্পের কতটুকু বিকাশ ঘটানোে হয়েছে তা আলোচনার দাবী রাখে। কারণ দিবস আসে দিবস যায় এর মাঝেই পর্যটনশিল্পের রশদগুলো দিনদিন বেহাত হচ্ছে, ক্ষয়ে যাচ্ছে, বিলীন হচ্ছে, বিবর্ণ হচ্ছে। এহেন চিত্রের মাঝে পর্যটনশিল্পের বিকাশ ঘটবে কিভাবে? পর্যটকইবা কেন আসবে? পর্যটনশিল্পকে কেন্দ্র করে কর্মসংস্থানের সুযোগইবা তৈরি হবে কিভাবে?
স্বাধীনতার ৫৫ বছরে বৃহত্তর মযমনসিংহ অঞ্চল তথা ময়মনসিংহ বিভাগে পর্যটনশিল্পের কতটুকু বিকাশ ঘটেছে? আগামীতে কতটুকু বিকাশ ঘটবে এসব প্রশ্ন আজ ময়মনসিংহ অঞ্চলের মানুষের মনে। পর্যটনশিল্পের বিকাশের জন্য যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় কি? নাকি শুধু দিবস পালনে সীমাবদ্ধ? অবহেলা, দায়িত্বহীনত, বেহাল, বেহাত, বিলীন, বিবর্ণ চিত্র দেখতে দেখতে এসব প্রশ্ন মানুষের মনে দানা বেঁধেছে।
পর্যটনশিল্প বিকাশে মোটাদাগে দুটি প্রধান খাত রয়েছে; একটি প্রাকৃতিক, অপরটি পুরাকীর্তি। ভূমির গঠনশৈলীর কারণে বৃহত্তর ময়মমনসিংহ অঞ্চলে তথা ময়মনসিংহ বিভাগে ভূমির বৈচিত্রতা রয়েছে। একদিকে যেমন সমতল ভূমি অপরদিকে তেমনি জলকেলির হাওর। হাওরের বিস্তীর্ণ জলরাশি। জলরাশির মাঝে হারিয়ে যেতে চায় পর্যটকরা। আবার সীমান্তঘেঁষা মেঘালয় পাহাড় ও গারো পাহাড়ের দৃষ্টিনন্দন দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্য মুগ্ধ করে পর্যটকদের। মুগ্ধতার টানে ছুটে যায় নানান বয়সী পর্যটকরা। সীমান্তঘেঁষা দূর্গাপুরের বিজয়পুরে সাদামাটি ও পাহাড় থেকে সমতলে আসা সুমেশ্বরী নদীর লাল বালু চোখ জুড়ানো মুগ্ধতা ছড়িয়ে রেখেছে। পাহাড় ও সমতলের এই অপরুপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে চায় পর্যটকরা। এদিকে, কমলাকান্দার পাঁচগাওয়ে সমতল ভূমি ও পাহাড়ের অপরুপ দৃশ্যও পর্যটকদের কাছে টানে। পর্যটকরাও যাচ্ছে ছুটে পাঁচগাওয়ের অপরুপ প্রাকৃতিক দৃশ্য অবলোকন করতে। ময়মনসিংহ বিভাগের অন্যান্য জেলা/উপজেলাতেও নদী-বিল ও প্রকৃতিকেন্দ্রিক পর্যটনশিল্পের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু এই সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে কিভাবে রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রশাসন যদি বাস্তবিক উদ্যোগ গ্রহণ না করে?
পর্যটনশিল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হচ্ছে পুরাকীর্তি অর্থাৎ প্রত্নতাত্ত্বিক খাত। পুরাকীর্তি স্থাপনা ইতিহাসের চাক্ষুষ সাক্ষী। পুরাকীর্তি একটি জাতির বা একটি অঞ্চলের ক্রমবিকাশের ইতিহাস ধারণ করে। এজন্য একটি পুরাকীর্তি স্থাপনার সামনে দাঁড়িয়ে বা অধ্যয়ন করে যে কোন প্রজন্মের প্রতিনিধি পুরাকীর্তি স্থাপনাটির প্রতিষ্ঠাকালের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারে। জানতে পারে সে সময়ের সাধারণ মানুষের বা একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর মানুষদের জীবনপ্রণালী সম্পর্কে। এজন্য পৃথিবীর প্রতিটি দেশেই পুরাকীর্তি স্থাপনা সুরক্ষা করা হয়। সংস্কার-সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করে টিকিয়ে রাখা হয়। দেখভাল করার জন্য প্রতিটি দেশেই রয়েছে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর/বিভাগ। বাংলাদেশও তার বাইরে নয়। দেখভাল করার জন্য রয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মণ্ত্রনালয়ের অধীন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর।
ময়মনসিংহ অঞ্চলে পর্যটনশিল্পের বিকাশ ঘটাতে হলে পুরাকীর্তির উপর ভর করতেই হবে। কারণ, এ অঞ্চলে রয়েছে পুরাকীর্তির ভান্ডার। এজন্য পুরাকীর্তিসমুহ যথাযথভাবে সংস্কার-সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করতে হবে।
পুরাকীর্তিসমুহ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করলে এ অঞ্চলে পর্যটনশিল্পের বিকাশ ঘটতে বাধ্য। যা পর্যটনশিল্পে ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনবে। তাই পুরাকীর্তি স্থাপনাগুলোকে যথাযথভাবে সংস্কার-সংরক্ষণ করে তোলে ধরা একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু বাস্তবচিত্র কি? স্বাধীনতার ৫৫ বছরে কতভগ পুরাকীর্তি যথাযথভাবে সংস্কার-সংরক্ষণ করা হয়েছে? এ বিষয়টি আজ প্রশ্নের উদ্রেক করে। পুরাকীর্তি সংরক্ষণ না করলে পর্যটনশিল্পের বিকাশ ঘটবে কিভাবে? প্রাচীন ময়মনসিংহ অঞ্চল পুরাকীর্তির ভান্ডার। কিন্তু পুরাকীর্তিগুলোর আজ কি অবস্থা? কয়টি টিকে আছে, কয়টি বিলীন/বেহাত হয়েছে সে খবর কে রাখে?
ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসন ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষ এবং প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অবহেলা, অদূরদর্শিতা ও সমন্বয়হীনতার কারণে পুরাকীর্তি স্থাপনাগুলো বিলীন/বেহাত ও ধ্বংস হচ্ছে। যেমন, গৌরিপুর লজ ময়মনসিংহ জেলার ৩টি ‘এ ‘ ক্যাটাগরির পুরাকীর্তির মধ্যে ১টি। অথচ গুরুত্বপূর্ণ এই পুরাকীর্তি স্থাপনাটি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে নেই। দখলে রয়েছে সোনালী ব্যাংক। গৌরিপুর লজে সাধারণ দর্শনার্থীগণের প্রবেশ নিষেধ। এর দ্বিতীয়তলা সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বাসস্থান ও রান্নাঘর হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।এদিকে, মহারাজ সূর্যকান্ত আচার্য্য চৌধুরি কর্তৃক ১৮৮৯-৯০ সালে রাজরাজেশ্বরী ওয়ার্টার ওয়ার্কস্ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ময়মনসিংহ নগরীতে প্রথম সুপেয় পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেটারও অবহেলা ও সংস্কার-সংরক্ষণের অভাবে যুগ যুগ ধরে বেহাল চিত্র। এর অনেককিছুই বিলীন/বেহাত হয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি ময়মনসিংহ শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগ আলেকজান্দ্রা ক্যাসেলের সম্মূখ অংশের ডানপাশে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে ক্যাসেলকে আড়াল করে দিয়েছে। আলেকজান্দ্রা ক্যাসেলে চরম ভগ্নদশা দৃশ্যমান। সংস্কার-সংরক্ষণ না করায় খসে খসে পড়ছে এর বিভিন্ন অংশ। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর শশীলজে প্রত্নতাত্ত্বিক আদলের সীমানা প্রাচীরের পরিবর্তে সাধারণমানের সীমানা প্রাচীর পুন:নির্মাণ করছে। অথচ প্রত্নতাত্ত্বিক আদলে অতিসহজেই সীমানা প্রাচীর পুন:নির্মাণ করা যেত। এছাড়া লোভী ব্যক্তিচক্র দ্বারাও ময়মনসিংহ অঞ্চলের পুরাকীর্তি স্থাপনা ধ্বংস, বিলীন/বেহাত হয়েছে/হচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা ও সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে। এভাবে পুরাকীর্তি স্থাপনা স্থানীয় প্রশাসন/নানান কর্তৃপক্ষ ও ব্যক্তিচক্র কর্তৃক ধ্বংস, বিলীন/বেহাত করে ফেললে পর্যটনশিল্পের বিকাশ ঘটবে কিভাবে? এগুলো এই নিবন্ধে উদাহরণ হিসেবে তোলে ধরা হলো মাত্র।
ময়মনসিংহ অঞ্চলে পর্যটনশিল্পের বিকাশ ঘটাতে হলে করণীয় কি? করণীয় হলো, পর্যটনশিল্পের প্রাকৃতিক ও পুরাকীর্তি খাতের যথাযথ উন্নতিসাধন। এক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসনসহ স্থানীয় সকল কর্তৃপক্ষ ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগকে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। প্রয়োজনবোধে বিভাগীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ‘পর্যটনশিল্প বিকাশ সেল’ নামে একটি বিশেষ সেল গঠন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের সাথে প্রয়োজন সমন্বয় করতে হবে।
পর্যটনশিল্পের বিকাশসাধনে প্রচার-প্রচারণা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই পুরাকীর্তি স্থাপনা ও পর্যটনের প্রাকৃতিক স্থানগুলোর যথাযথভাবে সংস্কার-সংরক্ষণ ও উন্নয়নপূর্বক সেগুলোর তথ্য-উপাত্তসহ সচিত্র পরিচিতি অনলাইন ও অফলাইনে অধিকতর প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে পুরাকীর্তিসমূহের তথ্য-উপাত্ত জেনে দেশী-বিদেশী পর্যটক ও গবেষকগণ আগ্রহী হন ময়মনসিংহে আসতে। পর্যটনের স্থানসমুহে গমনাগমনের জন্য যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। যাতে পর্যটকগণ সহজেই গমনাগমন করতে পারেন। যাতায়াত সহজ না হলে পর্যটকগণ আগ্রহ হারাবেন।
পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন এবং বিশেষ করে টুরিস্ট পুলিশ প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করতে হবে। উল্লেখ্য, টুরিস্ট পুলিশের কাজই হলো পর্যটন স্থানসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এক্ষেত্রে সমন্বয়ের কাজটি করবে বিভাগীয় প্রশাসন/সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন।
পর্যটনশিল্পের বিকাশের সাথে থাকা-খাওয়ার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশী-বিদেশী পর্যটকদের জন্য যদি মানসম্মত পর্যাপ্ত থাকা-খাওয়ার সু-ব্যবস্থা থাকে তাহলে তাদের মাঝে এ অঞ্চলের পর্যটনের স্থানসমুহে আসার আগ্রহ বাড়বে। এজন্য বিভাগীয় শহর ময়মনসিংহসহ জেলাসদরসমুহেরও পর্যটন স্থানসমুহের সংশিষ্ট উপজেলা সদরে থাকা-খাওয়ার সু-ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। আবাসিক হোটেল-মোটেল ও মানসম্মত খাবার হোটেলের পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করতে হবে। এ ব্যাপারে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও উদ্বুদ্ধ করা যেতে পারে।
পর্যটনের স্থানসমুহ যথাযথভাবে সংস্কার-সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করে দৃশ্যমান করলে দেশী-বিদেশী পর্যটক ও গবেষকদের আগমন ঘটবে বিধায় এ অঞ্চলে নানান ধরণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এতে স্থানীয়ভাবে বেকার সমস্যাও অনেকটা লাঘব হবে।
সম্প্রতি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক ‘ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রত্নতত্ত্বস্থল সমূহের সংস্কার-সংরক্ষণ ও উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। প্রায় ৩৪ কোটি টাকার এই প্রকল্পের মাধ্যমে ০৭টি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি স্থাপনার সংস্কার-সংরক্ষণ ও উন্নয়ন কাজ করা হবে। পুরাকীর্তি স্থাপনাগুলো হলো – শশীলজ ভবন, মুক্তাগাছা জমিদার বাড়ি, ময়মনসিংহ জাদুঘর, আলেকজান্ডার ক্যাসেল, জোড় মন্দির, এন এন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও পাথরের শিব মন্দির। এছাড়া ০৫টি প্রত্নতত্ত্বস্থলে ১০টি প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্য করা হবে। প্রত্নতত্ত্বস্থল সমূহ হলো – নেত্রকোণা জেলার রোয়াইলবাড়ি দুর্গ ও বরুজ ডিবি , ময়মনসিংহ জেলার বোকাইনগর কিল্লা ও কেল্লা তাজপুর দুর্গ এবং শেরপুর জেলার গড় জরিপা দুর্গ। শুধু এই ০৭টি পুরাকীর্তি স্থাপনা নয়, অন্যান্য সকল গুরুত্বপূর্ণ পুরাকীর্তি স্থাপনার সংস্কার-সংরক্ষণ ও উন্নয়নের উদ্যোগ নিতে হবে।
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন সর্বোচ্চ স্বায়ত্তশাসিত সরকারি সংস্থা। সারাদেশে পর্যটনশিল্প বিকাশে এই সংস্থার দায়-দায়িত্ব রয়েছে। তাই ময়মনসিংহ অঞ্চলের পর্যটনশিল্প বিকাশে এই সংস্থা দায় এড়াতে পারে না। তাই দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসতে হবে। স্থানীয় প্রশাসনকেও পর্যটন কর্পোরেশনের সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করতে হবে।
ময়মনসিংহ অঞ্চলে পর্যটনশিল্প বিকাশে প্রাকৃতিক পর্যটন স্থানসমূহ ও পুরাকীর্তিসমূহের সংস্কার-সংরক্ষণ ও উন্নয়ন একান্ত জরুরি। এই কর্মটি সম্পাদন করলে এ অঞ্চলে পর্যটনশিল্পের বিকাশ সহজেই ঘটবে। তাই আলোচ্য এই নিবন্ধে আলোকপাতকৃত বিষয়সমুহ আমলে নিয়ে সঠিক কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহন করা একান্ত জরুরি বলে আমরা ময়মনসিংহবাসী মনে করি। বিশ্ব পর্যটন দিবস ঘটা করে পালনও সার্থক হবে। নইলে কেবল দিবস পালনের জন্য পালন করার মাঝে পর্যটনশিল্পের বিকাশ আটকে থাকবে।
লেখক: সদস্য সচিব, পুরাকীর্তি সুরক্ষা কমিটি, ময়মনসিংহ অঞ্চল।

ইমতিয়াজ আহমেদ।।