প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ । ১০:৪৯ অপরাহ্ণ প্রিন্ট এর তারিখঃ রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

জামালপুর সিংহজানি খাদ্য গুদামের এস এম ও পাপেল এর পরকীয়া নারি কেলেঙ্কারি ও পাঁচ কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যে

অনলাইন ডেস্ক।।

বিভিন্ন ঘটনায় আলোচিত ইসরাত আহমেদ পাপেল ২০১০ সালে খাদ্য বিভাগে খাদ্য পরিদর্শক হিসেবে যোগদান করে । গ্রামের বাড়ী ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার চরআলগি ইউনিয়নে তার বাবা ছিল গফরগাঁও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান। ইশরাত আহমেদ পাপেল আপাদমস্ত একজন আওয়ামী পরিবারের সন্তান বাবার দাপটে হয়ে যায় আওয়ামী মুক্তিযুদ্ধ সন্তান লীগের সভাপতি, গত পাঁচই আগস্ট এর আগে তার মুক্তিযোদ্ধা সন্তান লীগের শত শত কর্মীদের নিয়ে ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় এছাড়াও ময়মনসিংহ আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সরাসরি রাজনীতিতে অংশগ্রহণ ছিল । তার নেতৃত্বে বহু ছাত্র দলের নেতা কর্মীকে পিটিয়ে হল থেকে বের করা হয় গফরগাঁও আওয়ামী লীগের সমস্ত প্রোগ্রামে তার অংশগ্রহণ ছিল সক্রিয় যার বিভিন্ন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে । আওয়ামীলীগের ফ্যাসিস্ট সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার’কে ৪৭ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে জামালপুর সিংহজানি খাদ্য গুদামে পোস্টিং নেয় পোস্টিং নিয়ে নেমে পড়ে ব্যাপক দুর্নীতিতে সেখানে গিয়েও আওয়ামী লীগের মায়া ছাড়তে পারেনি যোগদানের কিছুদিন পরেই অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ উদ্বোধনে চিহ্নিত এক আওয়ামীলীগ নেতাকে সাথে নিয়ে ধান – চাল সংগ্রহ উদ্বোধন করে। এ নিয়ে জামালপুরে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার জন্ম নেয়। তারপরও সে থেমে নেই। প্রতি বোরো – আমন সংগ্রহে চাল সংগ্রহে টন প্রতি প্রতি ৮০০ টাকা ঘুষ নেয়।

ধান সংগ্রহে করেছে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে নাম মাত্র ধান নিয়ে,সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ধান ক্রয় করে হাতিয়ে নেয় লক্ষ লক্ষ টাকা। পাপেলের বিরুদ্ধে। গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ হল ওজনে কম দেওয়া যেমন খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি,বিজিডি ‌সহ সরকারের নানা কর্মসূচিতে মালামাল দেওয়ার আগে গুদামের চিহ্নিত লেবার দিয়ে বস্তা থেকে ভুঙ্গা মেরে প্রতি বস্তায় এক থেকে দুই কেজি চাল ও গম বের করে ডিলার মিলাদের কে কম দেয় । যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে সিংহজানি খাদ্য গুদামে মধ্যে এইসব অতিরিক্ত মাল বস্তা বন্দী করে সংগ্রহের সময় এডজাস্ট এবং কালোবাজারে বিক্রি করে দেয়।গুদামে সংগ্রহের সময় লক্ষ লক্ষ পুরাতন এবং শেখ হাসিনার স্লোগান সম্বলিত বস্তা রিসিভ করে যা থেকে ১ লাখ বস্তায় সাত লক্ষ থেকে ৮ লক্ষ টাকা ঘুষ নেই এরকম লক্ষ লক্ষ পুরাতন বস্তা গুদামে রিসিভ করে। প্রতিটি সংগ্রহের সময় নিম্নমানের চাল এবং পুরাতন চাল গুদামে সংগ্রহ করে যা নিয়ে একবার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিজ হাতে তাকে ধরে ফেলে সবকিছুই সে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে । সিংহজনী খাদ্য গুদাম থেকে ১৫ মেট্রিক টন চাল কালো বাজারে বিক্রি করার সময় র‍্যাব এর কাছে ধরা পড়ে যেটা নিয়ে সিংহজানী খাদ্য গুদামের সামনে দুর্নীতিগ্রস্ত পাপেলের বিরুদ্ধে সচেতন মহল মানববন্ধন করে যা নিয়ে জাতীয় পত্রিকা সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয় । উক্ত ঘটনা নিয়েও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় অদৃশ্য কারণে সেই তদন্ত কমিটি আজও আলোর মুখ দেখিনি।গুদামে লেবার সহ এবং বাহিরে বিভিন্ন সচেতন মহল মনে করে পাপেলের মত একজন দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা আগে কখনো সিংহজানী গুদামে চাকরি করে নাই চাল সংগ্রহে টনপ্রতি ঘোষ বাণিজ্য ধানের টন প্রতি ঘুষ বাণিজ্য এবং নিম্নমানের চাল সহ বিভিন্ন অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে দুর্নীতি ও অনিয়ম । এইভাবে ব্যাপক দুর্নীতি করে সিংহ জানী খাদ্য গুদাম থেকে দুই বছর উপরে দায়িত্বে থাকা প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ঘুষ বাণিজ্য করে। টাকার গরমে জড়িয়ে পড়ে নারি কেলেঙ্কারিতে যা নিয়ে ময়মনসিংহ খাদ্য বিভাগে এখন ব্যাপক ভাইরাল,এই নারী কেলেঙ্কারির বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করতে গেলে সাংবাদিকদের উপর চরম ক্ষুব্ধ হয়ে পড়ে এবং খারাপ আচরণ করে এ নিয়ে সাংবাদিক মহল ব্যাপক ক্ষুব্ধ হয় । বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।

ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে একসময়ের কর্মক্ষম মানুষ গফরগাঁওের গাজী হাসান বাবু আজ শয্যাশায়ী। স্ত্রী সাজেদা বেগম ওরফে রুপা খান ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বরভরা টানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। যে সময়ে রোগাক্রান্ত স্বামীর পাশে স্ত্রীর থাকার কথা, অথচ তার এই অসহায়ত্ব ও জীবনের চরম ক্রান্তিকালকে পুঁজি করে স্ত্রী সাজেদা বেগম ওরফে রুপা খান এবং জামালপুর জেলা খাদ্য গুদামের খাদ্য পরিদর্শক (এসএমও) ইসরাত আহমেদ পাপেলের অনৈতিক পরকীয়া সম্পর্ক ও প্রতারণার চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। স্বামী ও আট বছরের অবুঝ সন্তানের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে আকাশ, বাতাস, আর অন্যদিকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরকীয়া জুটির গড়ে তোলা অবৈধ সম্পদের পাহাড় নিয়ে এলাকায় শুরু হয়েছে ব্যাপক তোলপাড়।

​ভুক্তভোগী স্বামী গাজী হাসান বাবু ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে গফরগাঁও উপজেলার মাইজবাড়ির বাসিন্দা সাজেদা বেগমের সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় বাবুর। সুখের সংসারে জন্ম নেয় এক কন্যাসন্তান। কিন্তু ২০১৮ সালে এক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন বাবু এবং পরবর্তীতে ২০২২ সালে দু’বার ব্রেইন স্ট্রোক করে শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েন।

​একজন শয্যাশায়ী ও পক্ষাঘাতগ্রস্ত স্বামীর পাশে পরম যত্নে থাকার কথা থাকলেও স্ত্রী সাজেদা বেগম হয়ে ওঠেন বেপরোয়া। স্বামীর এই অসুস্থতার সুযোগে খাদ্য কর্মকর্তা পাপেলের সাথে তার অনৈতিক সম্পর্ক এবং অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ ওঠে। অসুস্থ স্বামী ও নিষ্পাপ সন্তানের ভবিষৎ নিয়ে এখন চরম অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবার। স্বামীর অজান্তে ইসরাত আহমেদ পপেল যখন এই রুপা খানকে নিয়ে পরকীয়ায় ব্যস্ত। রুপা খানের বাসায় ছিল প্রতি রাতে তার যাতায়াত পরকীয়ায় এমনভাবে মগ্ন ছিল যে সে ভুলে গিয়েছিল তার একটি স্ত্রী এবং সন্তান আছে । নগরীর একটি বাসায় রাতে পাপেল যাতায়াত করার সময় এলাকাবাসী টের পাওয়ার পর দ্রুত সটকে পরে।

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল, প্রধান সম্পাদকঃ শিবলী সাদিক খান, নির্বাহী সম্পাদকঃ জহির রায়হান,  বার্তাকক্ষঃ 75bdnews@gmail.com

প্রিন্ট করুন