শেরপুরের ঝিনাইগাতীর জারুনতলা থেকে নিখোঁজের আট দিন পর মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় বিল্লাল হোসেন (৫০) নামে এক ধান ব্যবসায়ীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নারী-পুরুষসহ ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার জারুলতলা গ্রামের রঞ্জনা খালের পাশ থেকে মাটি খুঁড়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট থেকে ধান ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন নিখোঁজ ছিলেন। ওইদিন তিনি বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। পরে তার পরিবারের পক্ষ থেকে ঝিনাইগাতী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। নিখোঁজের পর থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধারে বিভিন্নভাবে অনুসন্ধান চালিয়ে আসছিল।
বুধবার দুপুরে জারুলতলা গ্রামের রঞ্জনা খালের পাশে স্থানীয় কয়েকজন মাছ ধরতে গেলে তারা সেখান থেকে তীব্র দুর্গন্ধ পান। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই স্থানে মাটি খুঁড়ে অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করে। মরদেহটি বিল্লাল হোসেনের বলে শনাক্ত করেন পরিবারের সদস্যরা। এদিকে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড কি না এবং হত্যার সঙ্গে কারা জড়িত, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্তের পাশাপাশি সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে নারী-পুরুষসহ ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
শেরপুরের পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল হক বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। বিল্লাল হোসেনকে হত্যার পেছনে কারা জড়িত এবং কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে, তদন্তের পরই তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক, শেরপুর প্রতিনিধি।।