প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬ । ১২:২১ অপরাহ্ণ প্রিন্ট এর তারিখঃ বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ময়মনসিংহে পুলিশের তদন্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা! সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার 

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলামকে বিতর্কিত করতে উদ্দেশ্যপ্রনোদিত মনগড়া একটি অভিযোগ রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলা পুলিশ সুপার বরাবর দায়ের করেছে মিরাজ নামের এক কিশোরগ্যাং সদস্যের বাবা নগরীর কৃষ্টপুরের বাসিন্দা আব্দুল হাকিম।
জানা যায়, গত ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখ ভাটিকাশর মিশন স্কুলের সামনে হইতে কৃষ্টপুর রোড পর্যন্ত হকিস্টিক, লাঠি ও চাইনিজ কুড়াল নিয়ে শো-ডাউনের মাধ্যমে আকস্মিক জনমনে ভয়ভীতি ও ত্রাস সৃষ্টি করে একদল কিশোরগ্যাং সদস্যরা। এসময়  কিশোরগ্যাং সদস্য তপু হাসানকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় ১নং ফাঁড়ি পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত আসামীর ১৬১ ধারায়  স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দিতে ও প্রত্যক্ষদর্শীদের স্বাক্ষী এবং ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে ১৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০/১২ জনের নামে কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়। যার নং-৭৪ তারিখ ২৪/০৪/২৬ইং।
উল্লেখিত মামলার ঘটনায় আব্দুল হাকিমের ছেলে মেরাজকে মামলার এজাহারে ১২নং আসামি করা হয়। পরবর্তীতে প্রকাশ্যে ও গোপনে তদন্ত সাপেক্ষে চার্জশিটে ৪নং আসামি করে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে চার্জশিট প্রদান করেন কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
এঘটনায় সম্প্রতি গত ৩ আগস্ট ২০২৬ইং তারিখ ঠুনকো অজুহাত দেখিয়ে আব্দুল হাকিম তার ছেলে মেরাজকে নির্দোষ দাবী করে ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলা পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন। যা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করে পুলিশ ও চার্জশিট প্রদানের বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তিকে মামলায় আসামি করা কিংবা চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করার এখতিয়ার একজন অফিসার ইনচার্জের একক সিদ্ধান্তে নির্ধারিত হয় না। মামলার তদন্তে প্রাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ, ঘটনাস্থলের তথ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতেই আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল, প্রধান সম্পাদকঃ শিবলী সাদিক খান, নির্বাহী সম্পাদকঃ জহির রায়হান,  বার্তাকক্ষঃ 75bdnews@gmail.com

প্রিন্ট করুন