নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বিরিশিরি থেকে দুর্গাপুর পৌরশহরের প্রবেশদ্বারেই ময়লার ভাগারের কারনে নষ্ট হচ্ছে পৌরশহরের ভাবমুর্তি। বিভিন্ন মিডিয়ায় এমন সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নজরে আসে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার নেত্রকোনা – ১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের এমপি ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এর।
দুর্গাপুর উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষনা দিয়েছেন তিনি। এরই লক্ষ্যে ইতোমধ্যে শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাট, সোমেশ্বরী নদীতে সেতু নির্মান, জারিয়া থেকে দুর্গাপুর পর্যন্ত রেল সংযোগ, সাধারণ জনগনের যাতায়াতে সুবিধার্থে নিজ অর্থায়নে কাঠের সেতু নির্মান সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে নানাবিধ প্রকল্প হাতে নিয়েছেন ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। আসন্ন ঈদুল আযহা, শহরের পরিচ্ছন্নতা এবং পর্যটকদের কথা ভেবে এই উদ্দ্যেগ নিয়েছেন তিনি।
পৌরশহরের বাসষ্টেন্ড এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ময়লায় ভাগাড় থাকায় ওই এলাকার আশ-পাশের মানুষ, পথচারী, পর্যটকগণ এক বির্বতকর অবস্থায় পড়ছে প্রতিনিয়ত। পৌরশহরে ময়লা ফেলার নির্ধারিত স্থান না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে শহরের ওই এলাকায় ময়লা সহ নানা ধরনের বর্র্জ্য ফেলা হচ্ছে। এতে করে ওই এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে ডেঙ্গুজ্বর ও নানাবিধ রোগ দেখা দিচ্ছে। এ থেকে পরিত্রানের লক্ষে ডেপুটি স্পীকারের নির্দেশে মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে পৌর যুবদলের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহনে পৌরশহরের বাস ও সিএনজি ষ্ট্যান্ড এলাকা থেকে দীর্ঘদিনের জমানো ময়লা পরিস্কারের উদ্দ্যোগ নেয়া হয়।
ওই এলাকার বাসিন্দা আমেনা খাতুন বলেন, এখানে ময়লা জমানো থাকায় আমাদের বাসাবাড়িতে দিনের বেলাতেও কয়েল জ্বালিয়ে কাজ করতে হতো। এছাড়া পরিবারের সদস্যদের প্রায়ই জ্বর ও পেটের অসুখে ভুগতাম আমরা। আমাদের মানবিক নেতা ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি মহোদয় যে উদ্দ্যেগ গ্রহন করেছেন, আমরা উনার প্রতি কৃতজ্ঞ।
বাসষ্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা আলী উসলাম বলেন, এখানে ময়লা থাকায় দুর্গন্ধের কারনে রাস্তা দিয়ে হাটা যেতো না। অনেকেই পেটের পীড়ায় ভুগতো। অনেক সময় কুকুরের ঝগড়ার কবলে পড়তে হতো পথচারিদের। পৌরকর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানালেও স্থায়ীভাবে পরিস্কার করতে পারেনি তারা। আজ ব্যারিস্টার স্যার ময়লা পরিস্কারের জন্য যে উদ্দ্যেগ নিলেন, আমরা উনার প্রতি চীর কৃতজ্ঞ থাকবো।
এ নিয়ে দুর্গাপুর পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পৌরশহরের ময়লা ও বর্জ্য নিষ্কাষনের জন্য ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা দেখেছি। এ নিয়ে ডেপুটি স্পীকার স্যারের সাথে পরামর্শ ক্রমে, অল্প কিছুদিনের মধ্যে প্রকল্পের গ্রহনের মাধ্যমে ময়লা ফেলার ডাম্পিং পয়েন্ট নির্মান করা হবে। এছাড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় ফলদ বৃক্ষরোপন করার পরিকল্পনাও রয়েছে আমাদের।

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি।।