প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬ । ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রিন্ট এর তারিখঃ শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

মসিক ডা. দেবনাথের ভুয়া ভাওচার বাণিজ্য

মোঃ সেলিম মিয়া।।

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ভুয়া ভাউচার আর দপ্তর মেন্টেনের আনুসাংগিক অর্থ ব্যয় দেখিয়ে বরাদ্দ অর্থ আত্মসাতের কারিগর হচ্ছেন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.এইচ কে দেবনাথ। স্বাস্থ্যা খ্যাতে বিভিন্ন বিল ভাওচার দেখিয়ে প্রায় এক যুগ সময়ে তিনি কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছেন।

নগরীর বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের অংশ হিসেবে দাতব্য সংস্থার অর্থায়নে মা ও শিশুর জীবন মান উন্নয়নের জন্য আরবান হেল্থ নামক একটি প্রজেক্ট চালু হয়। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে নিয়োগ প্রকৃয়ার মাধ্যমে জনবল নিয়োগ সম্পন্ন হয়। প্রজেক্টের যাবতীয় খরচ বহন করে দাতব্য সংস্থা। কিন্তু বর্তমানে দাতব্য সংস্থার অর্থায়ন বন্ধ হয়ে গেলে সিটি করপোরেশনের কিছু কুচক্রী মহল (যারা নিয়োগ প্রকৃয়ার শুরু হতে শেষ পর্যন্ত এর নেপথ্যে জড়িত অর্থাৎ লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে জনবল নিয়োগ দিয়েছেন তারা সিটি করপোরেশনের কিছু কর্মকর্তাদের সাথে নেগোসিয়েশন করে প্রজেক্টের সকল ব্যায়ভার যাবতীয় খরচ সিটি কর্পোরেশন তহবিল থেকে বহন করে আসতেছে। প্রজেক্টে কর্মরত সকল কর্মকর্তার বেতন ভাতা সহ যাবতীয় খরচ সিটি করপোরেশন বহন করা মানে আয়ের পরিবর্তে খরচ বৃদ্ধি করেছে। অন্য দিকে দৈনিক হাজিরা ভিত্তিক কর্মচারীদের বর্তমান পরিস্থিতির সাথে সামন্য বেতনে তাল মিলিয়ে চলা খুবই দুর্ভিসহ হয়ে দাড়িয়েছে। দৈনিক হাজিরা ভিত্তিকদের বেতন বৃদ্ধির প্রশ্ন উঠলে জবাব আয় কম বেতন বাড়ানো সম্ভব না। তাহলে প্রশ্ন রইল যদি আয় কম থাকে তাহলে প্রজেক্টের যাবতীয় খরচ কেন সিটি করপোরেশন বহন করে। এই উটকো ঝামেলা কেন সিটি কর্পোরেশন নিজে তার ঘাড়ে বহণ করছে। নিশ্চয়ই এতে কর্তৃপক্ষ বা প্রজেক্টের সাথে জড়িতদের স্বার্থ হাছিলের বিষয় রয়েছে। এই কুচক্রী মহলের সাথে জড়িত বা এই কর্মকাণ্ডের নেপথ্যে মাস্টার মাইন্ড হল প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এইচ কে দেবনাথ, তার সহকারী হিসেবে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা স্বাস্থ্য সহকারী সাইফুল ইসলাম (সাজু), অসীম কুমার সাহা, সচিব, ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

২০১৮ সালে ময়মনসিংহ বিলুপ্ত পৌরসভা বিলুপ্ত হয়। এর পর থেকে ময়মন-সিংহ সিটি করপোরেশনের যাত্রা। যাত্রা কাল হতেই বিলুপ্ত পৌরসভার মুষ্টিমেয় কয়েক জন কর্মচারী ও কর্মকর্তা দিয়ে সকল দাপ্তরিক কাজ সম্পাদনের লক্ষ্যে পাশাপশি দফায় দফায় দৈনিক হাজিরা ভিত্তিক কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যদের বর্তমান বেতন খুবই নগন্য (মাত্র ৮৯৫০/-)।
এছাড়াও বিভিন্ন পণ্য ক্রয় দেখিয়ে বিগত বছরগুলোতে লাখ, লাখ টাকা লোপাট করা হয়।

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল, প্রধান সম্পাদকঃ শিবলী সাদিক খান, নির্বাহী সম্পাদকঃ জহির রায়হান,  বার্তাকক্ষঃ 75bdnews@gmail.com

প্রিন্ট করুন