সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডিআইজি ড. আশরাফুর রহমান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার বাদী হয়েছেন দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সম্পাদক এবং সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের প্রধান মোঃ খায়রুল আলম রফিক। তিনি ঢাকার রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
অভিযোগে বলা হয়, একটি সাইবার অপরাধী চক্র দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ভুয়া ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে আসছিল। এ ঘটনায় মোট ৯টি ফেসবুক আইডির মালিককে মামলায় আসামি করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের আগে একই বিষয়ে রমনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরবর্তীতে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর পুলিশ নিয়মিত মামলা রুজু করে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
মামলা দায়েরের পর গত ২৮ জানুয়ারি রমনা থানা পুলিশ ময়মনসিংহে অভিযান চালিয়ে থানা ঘাট এলাকা থেকে এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি ময়মনসিংহ মহানগর যুবলীগ নেতা সেলিম সাজ্জাদ।
পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্ত মামলাসহ আরও তিনটি মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার বাকি আটজন আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেলিম সাজ্জাদ অতীতে যুবলীগের একজন কর্মী ছিলেন। তবে বর্তমান মামলাটি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচালিত কার্যক্রম সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্মানহানি করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৭৫ বাংলাদেশ রিপোর্ট।।