প্রকাশের সময়: সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫ । ১১:২২ অপরাহ্ণ প্রিন্ট এর তারিখঃ বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১৯৯০ এ স্বাধীন বাংলাদেশের গণতন্ত্র আন্দোলনের এক স্মরণীয় দিন ১০ নভেম্বর

নাজমুল হাসান।।

বুকে লেখা ” স্বৈরাচার নিপাত যাক “ও পিঠে “গণতন্ত্র মুক্তি পাক” লিখে নুর হোসেন মিছিলের অগ্রভাগে অবস্থান করেন।

বাংলাদেশের রাজধানীর জিরো পয়েন্ট এলাকায় নূর হোসেনকে স্বৈরাচারী শাসকের নির্দেশে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী গুলি করে হত্যা করলে পরর্বতীতে এরশাদ বিরোধী আন্দোলন আরো বেগবান হয়।

দিবসটি উপলক্ষে প্রতি বছর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন কর্মসূচি পালন করে।

নূর হোসেন ১৯৮৭ সালে,তিনি বুকে পিঠে স্লোগান ধারণ করে গণ মানুষের আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করেছিলেন। যা তাকে ঐ সময়ে মানুষের মাঝে সর্বচ্চ ত্যাগী আন্দোলন কারী হিসেবে ভুষিত করে। তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বৈরচার এরশাদের পতন ঘটে।

ঢাকা জেলার নারিন্দা অঞ্চলে রিক্স চালকের ঘরে জন্ম হয় নূর হোসেনের, অর্থনৈতিক সংকটে কারণে নুর হোসেন অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন সংসারের হাল ধরবার জন্য শেষে গাড়ি চালানোর প্রশিক্ষণ শেষ করেন।

১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর, রাজনৈতিক সংগঠন সমূহ ও গণমানুষের মিছিলে পল্টন এলাকা থেকে জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করবার সময় ততকালীন সৈরাশাসক সরকারের নির্দেশে পুলিশের কাঁদানে গ্যাস ও গুলি ছুড়লে মিছিল পন্ডুল হয় । তখন নূর হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে গণতন্ত্রের জন্য শহীদ হন ।

পরবর্তীতে নুর হোসেনের বুকে পিঠে লেখা স্লোগান সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনকারীদের কাছে প্রতিকী হয়ে ওঠেন।

নূর হোসেন শহীদ মৃত্যুবরণ করবার পর ৬ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ ভেঙে যায়। ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করে।

যে জায়গায় নূর হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন, ঐ সময়ের জিরো পয়েন্ট এখন শহীদ নূর হোসেন চত্বর নামে পরিচিত পায় সারা বাংলাদেশের মানুষদের কাছে।

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল, প্রধান সম্পাদকঃ শিবলী সাদিক খান, নির্বাহী সম্পাদকঃ জহির রায়হান,  বার্তাকক্ষঃ 75bdnews@gmail.com

প্রিন্ট করুন